মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১১:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬

ইসলামের গৌরবময় অধ্যায়: খোলাফায়ে রাশেদিন-১: হযরত আলী (রা.)-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

ইসলামের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হযরত আলী (রা.)। তিনি ছিলেন ইসলামের চতুর্থ খলিফা এবং রাসুল (সা.)-এর ঘনিষ্ঠ চাচাতো ভাই ও জামাতা। তাঁর পূর্ণ নাম আলী ইবন আবি তালিব ইবন আবদুল মুত্তালিব আল-হাশিমী। কুনিয়াত আবুল হাসান এবং প্রসিদ্ধ নাম আবু তুরাব। কুরাইশ গোত্রের বনু হাশিম শাখার এই মহান ব্যক্তি পিতা আবু তালিব ইবন আবদুল মুত্তালিব এবং মাতা ফাতিমা বিনতে আসাদের (রা.) ঘর আলোকিত করেন।

হযরত আলী (রা.) রাসুল (সা.)-এর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সাহাবি ছিলেন। খায়বারের যুদ্ধে তাঁর বিশেষ মর্যাদা ও ভূমিকা অনস্বীকার্য। রাসুল (সা.) তাঁকে ‘আবু তুরাব’ উপাধি দিয়েছিলেন, যা সহিহ বুখারিতে (৩৭০৩) বর্ণিত আছে। তিনি আহলে বাইতের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন এবং জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত সাহাবিদের একজন হিসেবে পরিচিত। তাঁর স্ত্রী ছিলেন রাসুল (সা.)-এর কন্যা হযরত ফাতিমা (রা.) এবং তাঁদের সন্তান ছিলেন হযরত হাসান ও হোসাইন (রা.) সহ আরও অনেকে। তিনি ৪০ হিজরিতে কুফায় শাহাদাত বরণ করেন।

রাসুল (সা.) হযরত আলী (রা.)-কে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন, ‘তুমি কি এতে সন্তুষ্ট নও যে, আমার সঙ্গে তোমার মর্যাদা এমন, যেমন মুসার সঙ্গে হারুনের মর্যাদা ছিল? তবে আমার পরে কোনো নবী নেই।’ (মুসলিম : ২৪০৪)। আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাত হযরত আলী (রা.)-কে একজন সাহসী মুজাহিদ, জ্ঞান ও প্রজ্ঞায় প্রসিদ্ধ মহান সাহাবি হিসেবে সম্মান করে। আমরা তাঁকে খোলাফায়ে রাশেদিনের চতুর্থ খলিফা হিসেবে বিশ্বাস করি এবং তাঁর ফজিলত সম্পর্কে সহিহ হাদিসে যা প্রমাণিত, তা গ্রহণ করি। তবে তাঁর ব্যাপারে কোনো প্রকার অতিরঞ্জন বা রাসুল (সা.)-এর পর নির্ধারিত উত্তরসূরি মনে করা—সহিহ দলিল ছাড়া গ্রহণ করি না। একইভাবে কোনো সাহাবির অবমাননা বা গালাগালকেও আমরা সমর্থন করি না।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতের ঝাড়খণ্ডে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পাশে দিল্লির আলোচিত যুবক জুনায়েদ

ইসলামের গৌরবময় অধ্যায়: খোলাফায়ে রাশেদিন-১: হযরত আলী (রা.)-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

আপডেট সময় : ১১:২৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬

ইসলামের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হযরত আলী (রা.)। তিনি ছিলেন ইসলামের চতুর্থ খলিফা এবং রাসুল (সা.)-এর ঘনিষ্ঠ চাচাতো ভাই ও জামাতা। তাঁর পূর্ণ নাম আলী ইবন আবি তালিব ইবন আবদুল মুত্তালিব আল-হাশিমী। কুনিয়াত আবুল হাসান এবং প্রসিদ্ধ নাম আবু তুরাব। কুরাইশ গোত্রের বনু হাশিম শাখার এই মহান ব্যক্তি পিতা আবু তালিব ইবন আবদুল মুত্তালিব এবং মাতা ফাতিমা বিনতে আসাদের (রা.) ঘর আলোকিত করেন।

হযরত আলী (রা.) রাসুল (সা.)-এর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সাহাবি ছিলেন। খায়বারের যুদ্ধে তাঁর বিশেষ মর্যাদা ও ভূমিকা অনস্বীকার্য। রাসুল (সা.) তাঁকে ‘আবু তুরাব’ উপাধি দিয়েছিলেন, যা সহিহ বুখারিতে (৩৭০৩) বর্ণিত আছে। তিনি আহলে বাইতের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন এবং জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত সাহাবিদের একজন হিসেবে পরিচিত। তাঁর স্ত্রী ছিলেন রাসুল (সা.)-এর কন্যা হযরত ফাতিমা (রা.) এবং তাঁদের সন্তান ছিলেন হযরত হাসান ও হোসাইন (রা.) সহ আরও অনেকে। তিনি ৪০ হিজরিতে কুফায় শাহাদাত বরণ করেন।

রাসুল (সা.) হযরত আলী (রা.)-কে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন, ‘তুমি কি এতে সন্তুষ্ট নও যে, আমার সঙ্গে তোমার মর্যাদা এমন, যেমন মুসার সঙ্গে হারুনের মর্যাদা ছিল? তবে আমার পরে কোনো নবী নেই।’ (মুসলিম : ২৪০৪)। আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাত হযরত আলী (রা.)-কে একজন সাহসী মুজাহিদ, জ্ঞান ও প্রজ্ঞায় প্রসিদ্ধ মহান সাহাবি হিসেবে সম্মান করে। আমরা তাঁকে খোলাফায়ে রাশেদিনের চতুর্থ খলিফা হিসেবে বিশ্বাস করি এবং তাঁর ফজিলত সম্পর্কে সহিহ হাদিসে যা প্রমাণিত, তা গ্রহণ করি। তবে তাঁর ব্যাপারে কোনো প্রকার অতিরঞ্জন বা রাসুল (সা.)-এর পর নির্ধারিত উত্তরসূরি মনে করা—সহিহ দলিল ছাড়া গ্রহণ করি না। একইভাবে কোনো সাহাবির অবমাননা বা গালাগালকেও আমরা সমর্থন করি না।