মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬

সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সমন্বিত উদ্যোগ ও রাজনৈতিক সদিচ্ছার গুরুত্বারোপ ইলিয়াস কাঞ্চনের

সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত উদ্যোগ এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছার কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন। শুক্রবার রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে আয়োজিত সংগঠনের ১১তম মহাসমাবেশ-২০২৬ এ তিনি এসব কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ আধুনিক প্রযুক্তি ও কার্যকর আইনের প্রয়োগ ঘটিয়ে সড়ক দুর্ঘটনা উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে এনেছে, যা বাংলাদেশেও সম্ভব।

মহাসমাবেশে বর্তমান সরকারের চলমান বিভিন্ন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে একটি বাস্তবভিত্তিক জাতীয় কর্মপরিকল্পনা ও ১২ দফা সুপারিশমালা হস্তান্তর করা হয়। ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা কেবল কোনো একক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাজ নয়, বরং এটি একটি জাতীয় দায়িত্ব। নিরাপদ সড়কের অধিকারকে মানুষের মৌলিক অধিকার হিসেবে অভিহিত করে তিনি সরকার, প্রশাসন, পরিবহন মালিক-শ্রমিক এবং সাধারণ জনগণকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, একটি জাতির প্রকৃত উন্নয়ন কেবল অবকাঠামো নির্মাণের মধ্য দিয়ে আসে না, বরং মানুষের মূল্যবোধ ও আইন মেনে চলার সংস্কৃতির ওপর নির্ভর করে। তিনি নাটক, চলচ্চিত্র ও গণমাধ্যমকে কাজে লাগিয়ে সড়ক নিরাপত্তার বার্তা তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। শিশুদের ছোটবেলা থেকেই ট্রাফিক আইন ও নাগরিক দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন করার আহ্বান জানান তিনি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নেত্রকোনা বড় বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: ৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভস্মীভূত, নিয়ন্ত্রণে ৭ ইউনিট

সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সমন্বিত উদ্যোগ ও রাজনৈতিক সদিচ্ছার গুরুত্বারোপ ইলিয়াস কাঞ্চনের

আপডেট সময় : ১১:৪৯:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬

সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত উদ্যোগ এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছার কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন। শুক্রবার রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে আয়োজিত সংগঠনের ১১তম মহাসমাবেশ-২০২৬ এ তিনি এসব কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ আধুনিক প্রযুক্তি ও কার্যকর আইনের প্রয়োগ ঘটিয়ে সড়ক দুর্ঘটনা উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে এনেছে, যা বাংলাদেশেও সম্ভব।

মহাসমাবেশে বর্তমান সরকারের চলমান বিভিন্ন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে একটি বাস্তবভিত্তিক জাতীয় কর্মপরিকল্পনা ও ১২ দফা সুপারিশমালা হস্তান্তর করা হয়। ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা কেবল কোনো একক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাজ নয়, বরং এটি একটি জাতীয় দায়িত্ব। নিরাপদ সড়কের অধিকারকে মানুষের মৌলিক অধিকার হিসেবে অভিহিত করে তিনি সরকার, প্রশাসন, পরিবহন মালিক-শ্রমিক এবং সাধারণ জনগণকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, একটি জাতির প্রকৃত উন্নয়ন কেবল অবকাঠামো নির্মাণের মধ্য দিয়ে আসে না, বরং মানুষের মূল্যবোধ ও আইন মেনে চলার সংস্কৃতির ওপর নির্ভর করে। তিনি নাটক, চলচ্চিত্র ও গণমাধ্যমকে কাজে লাগিয়ে সড়ক নিরাপত্তার বার্তা তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। শিশুদের ছোটবেলা থেকেই ট্রাফিক আইন ও নাগরিক দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন করার আহ্বান জানান তিনি।