রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরে সমলিঙ্গের বিয়ের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দেশের ১২৩০ জন বিশিষ্ট নাগরিক। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।
মঙ্গলবার ‘মূল্যবোধ আন্দোলন’ নামক একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই দাবি জানানো হয়। বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে দেশের শীর্ষস্থানীয় উলামায়ে কেরাম, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী ও ব্যবসায়ীসহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের পেশাজীবীরা রয়েছেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, সম্প্রতি ঢাকেশ্বরী মন্দিরে কামাল হোসেন নামের এক ব্যক্তি নিজেকে রূপান্তরিত নারী দাবি করে অন্য এক পুরুষের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন, যা দেশের প্রচলিত আইন ও সামাজিক রীতির পরিপন্থী। দেশের সংবিধানে ‘ট্রান্সজেন্ডার’ বা ‘ট্রান্সজেন্ডার নারী’ হিসেবে কোনো লিঙ্গের স্বীকৃতি নেই এবং দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারা অনুযায়ী সমকামিতা একটি দণ্ডনীয় অপরাধ।
বিশিষ্ট নাগরিকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, রাজধানীর একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এমন ঘটনা ঘটার এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ৯২ শতাংশ মুসলিম অধ্যুষিত এই দেশের মানুষের ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ অত্যন্ত সংবেদনশীল। অবিলম্বে তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের শাস্তির আওতায় আনার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারী উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন অধ্যাপক মোখতার আহমাদ, মুফতি সাইফুল ইসলাম, শায়খ আব্দুল হাই মুহাম্মাদ সাইফুল্লাহ, ড. মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন এবং আসিফ মাহতাব উৎসসহ আরও অনেকে। তারা আশা প্রকাশ করেন, সরকার দ্রুত এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষা করবে।
রিপোর্টারের নাম 






















