সুস্থ সংস্কৃতি ও বিনোদন চর্চার পরিবেশ গড়ে তুলতে এবং ডিজিটাল যুগে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা নিশ্চিত করতে তরুণ সাংবাদিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন বক্তারা। তারা অপসংস্কৃতি, ভুয়া খবর ও ডিজিটাল প্রযুক্তিভিত্তিক বিশৃঙ্খলা রোধে ফ্যাক্ট-চেকিং এবং দেশীয় ঐতিহ্যমুখী সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণের ওপর জোর দেন।
শনিবার (২ আগস্ট) বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টিবোর্ডে ‘তরুণ সাংবাদিকদের নিয়মিত সুস্থ সংস্কৃতি ও বিনোদন চর্চার পরিবেশ গঠন’ শীর্ষক এক সেমিনারে এসব কথা বলেন বক্তারা। সেমিনারে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এবং বগুড়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি বলেন, তরুণ ও শিশুদের শারীরিক-মানসিক বিকাশে সুস্থ বিনোদনের বিকল্প নেই। বিগত ১৭ বছরের স্বৈরাচারী শাসনামলে (শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার) ‘নতুন কুঁড়ি’-র মতো দেশজোড়া সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়ায় শিশু-কিশোরদের স্বাভাবিক বিকাশ ব্যাহত হয়েছে। তিনি ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের সত্য ও ত্যাগকে নাটক-চলচ্চিত্রে তুলে ধরা এবং পালকি, বায়োস্কোপসহ লোকজ ঐতিহ্য সংরক্ষণে তরুণ সাংবাদিকদের ‘ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর’ হিসেবে কাজ করার আহ্বান জানান।
বগুড়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ বলেন, একটি জাতির আত্মা প্রতিফলিত হয় তার সংস্কৃতি ও ইতিহাসে। ইউনেস্কো কর্তৃক বাংলাদেশের প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি আমাদের গর্বের বিষয়। তিনি প্রাণিজগতের প্রতি সহনশীলতা ও দয়াবান হওয়াকেও সুস্থ সংস্কৃতির অংশ হিসেবে উল্লেখ করে বগুড়া অঞ্চলের ৭৯টি সংস্কৃতিমনা সংগঠনকে সঙ্গে নিয়ে সুস্থ বিনোদন চর্চায় সাংবাদিকদের ইতিবাচক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
রিপোর্টারের নাম 

























