ঢাকা ০৩:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬

আয়নাঘরের আলামত নষ্টকারীদের ছাড় নেই: চিফ প্রসিকিউটর

চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেছেন, যারা র‍্যাবের গোপন বন্দিশালা ‘আয়নাঘর’-কে আড়াল করার জন্য আলামত নষ্ট করেছেন, তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি আরও জানান যে, ভারতে পাচারের আগে বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদকেও উত্তরার এই আয়নাঘরে বন্দি করে রাখা হয়েছিল, যা তদন্তে বেরিয়ে এসেছে।

শনিবার (২০২৬ সাল) দুপুরে রাজধানীর উত্তরায় র‍্যাব-১ সদর দপ্তরে অবস্থিত টিএফআই সেল বা ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর তিন বিচারপতিসহ প্রসিকিউশন টিম এই গোপন বন্দিশালা পরিদর্শন করে। পরিদর্শনে ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার, সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

প্রসিকিউশন টিমের পক্ষ থেকে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, ফারুক আহাম্মদ, শাইখ মাহদী, সহিদুল ইসলাম সরদার, তাসমিরুল ইসলামসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। আসামিপক্ষের আইনজীবীরাও পরিদর্শন কার্যক্রমে অংশ নেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, নির্মম নির্যাতনের সেল সরাসরি বিচারপতিদের দেখানো হয়েছে এবং এটি মেমোরেন্ডাম আদালতের বিচারের একটি অংশ হবে। তিনি দৃঢ়ভাবে জানিয়ে দেন যে, আলামত নষ্টকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতায় সৌদি সামরিক জোটে বাংলাদেশ: কৌশলগত লাভ-ক্ষতির হিসাব

আয়নাঘরের আলামত নষ্টকারীদের ছাড় নেই: চিফ প্রসিকিউটর

আপডেট সময় : ০২:০৬:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেছেন, যারা র‍্যাবের গোপন বন্দিশালা ‘আয়নাঘর’-কে আড়াল করার জন্য আলামত নষ্ট করেছেন, তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি আরও জানান যে, ভারতে পাচারের আগে বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদকেও উত্তরার এই আয়নাঘরে বন্দি করে রাখা হয়েছিল, যা তদন্তে বেরিয়ে এসেছে।

শনিবার (২০২৬ সাল) দুপুরে রাজধানীর উত্তরায় র‍্যাব-১ সদর দপ্তরে অবস্থিত টিএফআই সেল বা ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর তিন বিচারপতিসহ প্রসিকিউশন টিম এই গোপন বন্দিশালা পরিদর্শন করে। পরিদর্শনে ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার, সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

প্রসিকিউশন টিমের পক্ষ থেকে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, ফারুক আহাম্মদ, শাইখ মাহদী, সহিদুল ইসলাম সরদার, তাসমিরুল ইসলামসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। আসামিপক্ষের আইনজীবীরাও পরিদর্শন কার্যক্রমে অংশ নেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, নির্মম নির্যাতনের সেল সরাসরি বিচারপতিদের দেখানো হয়েছে এবং এটি মেমোরেন্ডাম আদালতের বিচারের একটি অংশ হবে। তিনি দৃঢ়ভাবে জানিয়ে দেন যে, আলামত নষ্টকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।