ঢাকা ১০:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

কারাগার থেকে ছাড়া পেলেন ঢাবি শিক্ষক হাফিজুর রহমান কার্জন

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩১:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

কারাগার থেকে ছাড়া পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আইন বিভাগের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন।

শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) দুপুরে তিনি কেরাণীগঞ্জে অবস্থিত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান বলে জানিয়েছেন কারা দফতরের সহকারী কারা মহাপরিদর্শক মো. জান্নাত-উল ফরহাদ।

তিনি বলেন, আদালেতের আদেশের কপি পাওয়ার পর আজ দুপুরে তাকে ছাড়া হয়েছে।

এর আগে গত ২৪ নভেম্বর সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জনকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন হাইকোর্ট।

এছাড়া আদালত রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, এই মামলায় অধ্যাপক কার্জনকে কেন স্থায়ী জামিন দেওয়া হবে না।

বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা ও বিচারপতি রেজাউল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ কার্জনের করা জামিন আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

অধ্যাপক কার্জনের আইনজীবী শেখ আলী আহমেদ খোকন সংবাদিকদের ওইদিন বলেছিলেন, হাইকোর্টের আদেশের পর তার মক্কেলের জেল থেকে মুক্তিতে আর কোনও আইনি বাধা নেই।

এর আগে গত ২৯ আগস্ট শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক মো. আমিরুল ইসলামের দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ঢাকার একটি আদালত সাবেক পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন, সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলমসহ ১৮ জনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তাদের মধ্যে লতিফ সিদ্দিকী ও মঞ্জুরুল আলম ইতোমধ্যে হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়ে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। আজ মুক্তি পেলেন অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন।

 

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানি আয়ে বড় ধাক্কা: আট মাসে আয় কমেছে ৩.১৫ শতাংশ, ফেব্রুয়ারিতে পরিস্থিতির অবনতি

কারাগার থেকে ছাড়া পেলেন ঢাবি শিক্ষক হাফিজুর রহমান কার্জন

আপডেট সময় : ১০:৩১:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫

কারাগার থেকে ছাড়া পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আইন বিভাগের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন।

শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) দুপুরে তিনি কেরাণীগঞ্জে অবস্থিত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান বলে জানিয়েছেন কারা দফতরের সহকারী কারা মহাপরিদর্শক মো. জান্নাত-উল ফরহাদ।

তিনি বলেন, আদালেতের আদেশের কপি পাওয়ার পর আজ দুপুরে তাকে ছাড়া হয়েছে।

এর আগে গত ২৪ নভেম্বর সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জনকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন হাইকোর্ট।

এছাড়া আদালত রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, এই মামলায় অধ্যাপক কার্জনকে কেন স্থায়ী জামিন দেওয়া হবে না।

বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা ও বিচারপতি রেজাউল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ কার্জনের করা জামিন আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

অধ্যাপক কার্জনের আইনজীবী শেখ আলী আহমেদ খোকন সংবাদিকদের ওইদিন বলেছিলেন, হাইকোর্টের আদেশের পর তার মক্কেলের জেল থেকে মুক্তিতে আর কোনও আইনি বাধা নেই।

এর আগে গত ২৯ আগস্ট শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক মো. আমিরুল ইসলামের দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ঢাকার একটি আদালত সাবেক পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন, সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলমসহ ১৮ জনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তাদের মধ্যে লতিফ সিদ্দিকী ও মঞ্জুরুল আলম ইতোমধ্যে হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়ে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। আজ মুক্তি পেলেন অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন।