বলিউড তারকা সালমান খান সম্প্রতি এক বিশেষ চিকিৎসার জন্য খবরের শিরোনাম হয়েছেন, যেখানে তিনি মাথার তালুতে সূচ ফুটিয়ে ‘প্লেটলেট রিচ প্লাজমা (PRP)’ থেরাপি নিয়েছেন। এই চিকিৎসাটি একসময় ভারতে নিষিদ্ধ ছিল বলে জানা গেছে। ২০০৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘তেরে নাম’ ছবিতে ন্যাড়া মাথায় দেখা যাওয়ার পর থেকেই সালমানের চুল পড়ার সমস্যা নিয়ে গুঞ্জন ছিল। তার তারকাদের কনফিডেনশিয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট রেশমা শেট্টী দাবি করেছিলেন যে, একসময় সালমানের সব চুল পড়ে গিয়েছিল।
সম্প্রতি শিল্পপতি শৈলেন্দ্র সিংহ এক পডকাস্টে জানান, তিনিই প্রথম ভারতে প্লেটলেট রিচ প্লাজমা থেরাপির চিকিৎসা করিয়েছেন এবং সালমান খানও সেই সময়ে এই পদ্ধতিতেই চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। শৈলেন্দ্র সিংহ তার বাড়িতে সালমানের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন এবং সেখানে তিনি একটি অদ্ভুত দৃশ্য দেখেন। একজন ব্যক্তি সালমানের মাথার তালুতে একের পর এক সূচ ফুটিয়ে চলেছেন। তখন সালমান তাকে জানান যে, তিনি তারকা হওয়ার মূল্য দিচ্ছেন।
শৈলেন্দ্র সিংহ এই ধরনের চিকিৎসা সেই সময় ভারতে নিষিদ্ধ ছিল বলে উল্লেখ করেন এবং এটিকে ‘বেআইনি’ বলেও অভিহিত করেন। তিনি জানান, এই থেরাপিতে শরীর থেকে রক্ত নিয়ে বাইরে ল্যাবে সেটিকে শক্তিশালী করা হয় এবং শরীরের টিস্যু ঠিক করার কাজে ব্যবহার করা হয়। এই পদ্ধতিতে, অল্প পরিমাণে রক্ত সংগ্রহ করে সেন্ট্রিফিউজে প্রক্রিয়াজাত করে প্লেটলেট আলাদা ও ঘনীভূত করা হয়। তারপর নির্দিষ্ট স্থানে ইনজেকশন দেওয়া হয়।
চুল পুনরুদ্ধারের জন্য, প্লেটলেট-রিচ প্লাজ়মা মাথার ত্বকে ইনজেক্ট করা হয়। মনে করা হয়, প্লেটলেট থেকে নিঃসৃত উৎসেচক চুলের গোড়াকে উদ্দীপিত করে, চুলের ঘনত্ব বাড়ায় এবং পুনরায় চুল গজাতে সাহায্য করে। যদিও এই চিকিৎসাটি বিতর্কিত এবং একসময় ভারতে নিষিদ্ধ ছিল, সালমান খান এই পদ্ধতির মাধ্যমে তার চুল পড়ার সমস্যার সমাধান খুঁজেছিলেন বলে জানা যায়।
রিপোর্টারের নাম 

























