বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট একটি অবিস্মরণীয় দিন হয়ে থাকবে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের প্রধান শেখ হাসিনা যেভাবে দেশত্যাগ করেছিলেন, তা নিয়ে বর্তমানে ২০২৬ সালে দাঁড়িয়েও রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা ও সমালোচনা চলমান। বিশেষ করে তার সেই সময়কার বিভিন্ন আশ্বাস এবং পরবর্তী পদক্ষেপের মধ্যে বিস্তর ফারাক লক্ষ্য করা যায়।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সংকটের মুহূর্তে নিজ দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের ফেলে রেখে শীর্ষ নেতৃত্বের নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাওয়ার প্রবণতা আওয়ামী লীগের জন্য নতুন কিছু নয়। ২০২৪ সালের সেই উত্তাল সময়েও ‘শেখ হাসিনা পালায় না’—এমন জোরালো ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাকে ছোট বোনসহ হেলিকপ্টারে চড়ে দেশ ছাড়তে দেখা যায়। এই ঘটনাটি দলটির সাধারণ কর্মীদের মধ্যে এক ধরনের বড় আস্থার সংকট তৈরি করেছিল।
বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় থাকাকালে যখন শেখ হাসিনার দেশে ফেরার গুঞ্জন শোনা যায়, তখন সংগত কারণেই প্রশ্ন ওঠে তার সেই ফেরার বাস্তব সম্ভাবনা কতটুকু। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির ব্যবহার করে তার কণ্ঠস্বর বা ভিডিও বার্তা প্রচারের মাধ্যমে কর্মীদের চাঙ্গা রাখার যে চেষ্টা চলছে, তাকে অনেকে কেবল রাজনৈতিক টিকে থাকার লড়াই হিসেবেই দেখছেন। মূলত ২০২৪-এর সেই পলায়ন পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কাঠামো যেভাবে ভেঙে পড়েছে, তা কাটিয়ে ওঠা দলটির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 

























