ঢাকা ০২:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আরসা সদস্যকে গুলি করে হত্যা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১২:১০:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে অজ্ঞাত সন্ত্রাসীদের গুলিতে মোহাম্মদ জুবায়ের (৩৪) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। নিহত জুবায়ের আরসা (ARSA) নামক সশস্ত্র সংগঠনের সদস্য ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার ভোরে ক্যাম্প-৮ ওয়েস্টের এইচ/২৯ ব্লকে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী জুবায়েরকে তার ঘর থেকে ডেকে বের করে এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে নিকটস্থ এমএসএফ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

১৪ এপিবিএন জানিয়েছে, ক্যাম্পে সক্রিয় বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে দীর্ঘদিনের অভ্যন্তরীণ বিরোধ ও গ্রুপিংয়ের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। বিশেষ করে আরসা ও আরএসও-র মধ্যে চলমান রেষারেষিকে তদন্তের প্রধান বিষয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং ক্যাম্পের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। এপিবিএন-এর দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জড়িতদের শনাক্ত করতে এবং ক্যাম্পের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্প-নেতানিয়াহু বৈঠকের পরেই তেহরানের কৌশলগত পরিবর্তন, উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য

উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আরসা সদস্যকে গুলি করে হত্যা

আপডেট সময় : ১২:১০:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে অজ্ঞাত সন্ত্রাসীদের গুলিতে মোহাম্মদ জুবায়ের (৩৪) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। নিহত জুবায়ের আরসা (ARSA) নামক সশস্ত্র সংগঠনের সদস্য ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার ভোরে ক্যাম্প-৮ ওয়েস্টের এইচ/২৯ ব্লকে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী জুবায়েরকে তার ঘর থেকে ডেকে বের করে এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে নিকটস্থ এমএসএফ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

১৪ এপিবিএন জানিয়েছে, ক্যাম্পে সক্রিয় বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে দীর্ঘদিনের অভ্যন্তরীণ বিরোধ ও গ্রুপিংয়ের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। বিশেষ করে আরসা ও আরএসও-র মধ্যে চলমান রেষারেষিকে তদন্তের প্রধান বিষয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং ক্যাম্পের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। এপিবিএন-এর দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জড়িতদের শনাক্ত করতে এবং ক্যাম্পের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।