ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার ক্রমবর্ধমান সামরিক উত্তেজনা সৌদি আরবকে এক কঠিন কূটনৈতিক ও কৌশলগত চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান অভিমুখে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকেই রিয়াদ নিরপেক্ষ থাকার চেষ্টা করলেও বর্তমানে পরিস্থিতি ভিন্ন দিকে মোড় নিচ্ছে।
সাম্প্রতিক ড্রোন হামলার পর বাধ্য হয়েই যুক্তরাষ্ট্রকে সঙ্গে নিয়ে ইরান-সমর্থিত ইরাকি মিলিশিয়াদের ওপর পাল্টা অভিযান চালিয়েছে সৌদি আরব। একদিকে তেহরান ও তাদের মিত্র গোষ্ঠীগুলোর হুমকি, অন্যদিকে ওয়াশিংটনের নেতৃত্বাধীন জোটের চাপ—সব মিলিয়ে রিয়াদ এখন ত্রিমুখী সংকটে।
বিশ্লেষকদের মতে, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের উচ্চাভিলাষী ‘ভিশন ২০৩০’ কর্মসূচি এখন বড় ঝুঁকির মুখে। তেলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বিদেশি বিনিয়োগের মাধ্যমে অর্থনীতিকে ঢেলে সাজানোর যে পরিকল্পনা রিয়াদ হাতে নিয়েছে, দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ তা নস্যাৎ করে দিতে পারে।
এদিকে লোহিত সাগরে হুথি বিদ্রোহীদের অব্যাহত হামলা ও হরমুজ প্রণালিতে অস্থিরতার কারণে সৌদি আরবের তেল রপ্তানি ও বৈশ্বিক সরবরাহ চেইন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সাত বছরের দীর্ঘ যুদ্ধের পরও ইয়েমেন সীমান্তে স্থিতিশীলতা না আসায় দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 





















