ঢাকা ০৩:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

ভারতে মোহাম্মদ আলি বিশ্ববিদ্যালয় উচ্ছেদের তোড়জোড়: উত্তপ্ত রামপুর

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০১:১৩:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

ভারতের উত্তর প্রদেশের রামপুরে অবস্থিত ঐতিহাসিক মোহাম্মদ আলি জওহর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৮টি ভবন ভেঙে ফেলার নির্দেশকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিজেপি সরকারের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় বাসিন্দারা তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলেছেন। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অগ্রপথিক মোহাম্মদ আলি জওহরের নামে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যাপীঠটি রক্ষায় রাজপথে নেমেছেন শত শত মানুষ।

২০০৬ সালে সমাজবাদী পার্টির নেতা আজম খানের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রায় বেশিরভাগ ভবনকে ‘অবৈধ’ ঘোষণা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে যে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ভবনগুলো সরিয়ে না নিলে বুলডোজার দিয়ে সেগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে। যদিও আদালত থেকে সাময়িক স্থগিতাদেশ পাওয়া গেছে, তবুও উচ্ছেদ আতঙ্ক কাটেনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মন থেকে।

বিরোধীদের অভিযোগ, এটি নিছক কোনো আইনি প্রক্রিয়া নয়, বরং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একটি স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করতেই বিজেপি সরকার এমন পদক্ষেপ নিয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। অন্যদিকে, সরকারি পক্ষ একে অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে স্বাভাবিক আইনি পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তর প্রদেশের রাজনৈতিক অঙ্গন এখন বেশ সরগরম।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আন্দোলন সফল হতেই বদলে গেল জীবন, অভিজিৎ দিপকের জন্য একের পর এক বিয়ের প্রস্তাব

ভারতে মোহাম্মদ আলি বিশ্ববিদ্যালয় উচ্ছেদের তোড়জোড়: উত্তপ্ত রামপুর

আপডেট সময় : ০১:১৩:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

ভারতের উত্তর প্রদেশের রামপুরে অবস্থিত ঐতিহাসিক মোহাম্মদ আলি জওহর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৮টি ভবন ভেঙে ফেলার নির্দেশকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিজেপি সরকারের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় বাসিন্দারা তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলেছেন। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অগ্রপথিক মোহাম্মদ আলি জওহরের নামে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যাপীঠটি রক্ষায় রাজপথে নেমেছেন শত শত মানুষ।

২০০৬ সালে সমাজবাদী পার্টির নেতা আজম খানের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রায় বেশিরভাগ ভবনকে ‘অবৈধ’ ঘোষণা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে যে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ভবনগুলো সরিয়ে না নিলে বুলডোজার দিয়ে সেগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে। যদিও আদালত থেকে সাময়িক স্থগিতাদেশ পাওয়া গেছে, তবুও উচ্ছেদ আতঙ্ক কাটেনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মন থেকে।

বিরোধীদের অভিযোগ, এটি নিছক কোনো আইনি প্রক্রিয়া নয়, বরং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একটি স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করতেই বিজেপি সরকার এমন পদক্ষেপ নিয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। অন্যদিকে, সরকারি পক্ষ একে অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে স্বাভাবিক আইনি পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তর প্রদেশের রাজনৈতিক অঙ্গন এখন বেশ সরগরম।