ঢাকা ০৩:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

আবু সাঈদ থেকে মুগ্ধ: জুলাই বিপ্লবের শহীদদের রক্তে কেনা নতুন বাংলাদেশ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০১:১২:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

২০২৪ সালের জুলাই মাস ছিল বাংলাদেশের ছাত্র-জনতার অধিকার আদায়ের এক রক্তঝরা অধ্যায়। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের বৈষম্যমূলক নীতির বিরুদ্ধে সাধারণ শিক্ষার্থীরা যখন রাজপথে নেমেছিলেন, তখন রাষ্ট্রযন্ত্র তাদের দমাতে চালিয়েছিল নির্মম দমন-পীড়ন। ১৬ জুলাই রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠে আবু সাঈদের বুক পেতে বুলেটের সামনে দাঁড়িয়ে যাওয়ার দৃশ্যটি ছিল সেই বিপ্লবের টার্নিং পয়েন্ট, যা কোটি মানুষের মনে সাহসের সঞ্চার করেছিল।

আন্দোলনের সেই উত্তাল দিনগুলোতে মীর মুগ্ধ, ফারহান ফাইয়াজ ও ইয়ামিনদের মতো শত শত তরুণের আত্মত্যাগ রাজপথকে রঞ্জিত করেছিল। তৎকালীন শাসকগোষ্ঠীর লেলিয়ে দেওয়া বাহিনীর হাতে অসংখ্য শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ আহত ও নিহত হলেও দমানো যায়নি বিপ্লবের গতি। বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের ওপর চালানো বর্বরতা আন্দোলনকে আরও তীব্র করে তুলেছিল, যা শেষ পর্যন্ত স্বৈরাচারী সরকারের পতন নিশ্চিত করে।

আজ ২০২৬ সালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নির্বাচিত সরকারের অধীনে সেই শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের কাজ চলছে। জুলাই বিপ্লবের সেই স্মৃতি এবং শহীদদের রক্তভেজা ইতিহাস বর্তমান প্রজন্মের কাছে এক অবিনাশী প্রেরণা। রাজপথের সেই সাহসী কণ্ঠস্বরগুলোই আজকের স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের ভিত্তি স্থাপন করে দিয়ে গেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আন্দোলন সফল হতেই বদলে গেল জীবন, অভিজিৎ দিপকের জন্য একের পর এক বিয়ের প্রস্তাব

আবু সাঈদ থেকে মুগ্ধ: জুলাই বিপ্লবের শহীদদের রক্তে কেনা নতুন বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ০১:১২:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

২০২৪ সালের জুলাই মাস ছিল বাংলাদেশের ছাত্র-জনতার অধিকার আদায়ের এক রক্তঝরা অধ্যায়। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের বৈষম্যমূলক নীতির বিরুদ্ধে সাধারণ শিক্ষার্থীরা যখন রাজপথে নেমেছিলেন, তখন রাষ্ট্রযন্ত্র তাদের দমাতে চালিয়েছিল নির্মম দমন-পীড়ন। ১৬ জুলাই রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠে আবু সাঈদের বুক পেতে বুলেটের সামনে দাঁড়িয়ে যাওয়ার দৃশ্যটি ছিল সেই বিপ্লবের টার্নিং পয়েন্ট, যা কোটি মানুষের মনে সাহসের সঞ্চার করেছিল।

আন্দোলনের সেই উত্তাল দিনগুলোতে মীর মুগ্ধ, ফারহান ফাইয়াজ ও ইয়ামিনদের মতো শত শত তরুণের আত্মত্যাগ রাজপথকে রঞ্জিত করেছিল। তৎকালীন শাসকগোষ্ঠীর লেলিয়ে দেওয়া বাহিনীর হাতে অসংখ্য শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ আহত ও নিহত হলেও দমানো যায়নি বিপ্লবের গতি। বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের ওপর চালানো বর্বরতা আন্দোলনকে আরও তীব্র করে তুলেছিল, যা শেষ পর্যন্ত স্বৈরাচারী সরকারের পতন নিশ্চিত করে।

আজ ২০২৬ সালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নির্বাচিত সরকারের অধীনে সেই শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের কাজ চলছে। জুলাই বিপ্লবের সেই স্মৃতি এবং শহীদদের রক্তভেজা ইতিহাস বর্তমান প্রজন্মের কাছে এক অবিনাশী প্রেরণা। রাজপথের সেই সাহসী কণ্ঠস্বরগুলোই আজকের স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের ভিত্তি স্থাপন করে দিয়ে গেছে।