ঢাকা ০৮:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

কারাগারে সংঘর্ষে এক হাজতি নিহত

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:২৯:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

জামালপুর জেলা কারাগারে থুথু ফেলা নিয়ে দুই হাজতির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় হযরত (২৫) নামে একজন হাজতি নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। জামালপুর জেলা কারাগারের জেলার লিপি রানী সাহা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত হযরত দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চেংটিমারি গ্রামের ইমান হোসেনের ছেলে। এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা কারাগারের ভেতরে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। তিনি বকশীগঞ্জ থানার অধীনে মামলার আসামি ছিলেন। অভিযুক্ত অপর হাজতির নাম রহিদুর মিয়া (৪০)। তিনি বকশীগঞ্জ উপজেলার কামালপুরের বালুরগাঁও গ্রামের মৃত ছামিউল হকের ছেলে।

কারাগার সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকালে কারাগারের ভেতরে কাশি ও থুথু ফেলা নিয়ে হাজতি হযরতের সঙ্গে রহিদুর মিয়ার বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে রহিদুর মিয়া একটি কাঠ দিয়ে হযরতের মাথায় পরপর কয়েকবার আঘাত করে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে কারাগার কর্তৃপক্ষ তাকে উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। অবস্থার অবনতি হলে সেদিনই প্রথমে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। শুক্রবার দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

জেলার লিপি রানী সাহা বলেন, হযরতের লাশ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। অপর হাজতি রহিদুর মিয়া জামালপুর কারাগারে রয়েছে। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে কঠোর হামলার হুঁশিয়ারি ইরানের প্রেসিডেন্টের

কারাগারে সংঘর্ষে এক হাজতি নিহত

আপডেট সময় : ০৬:২৯:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫

জামালপুর জেলা কারাগারে থুথু ফেলা নিয়ে দুই হাজতির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় হযরত (২৫) নামে একজন হাজতি নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। জামালপুর জেলা কারাগারের জেলার লিপি রানী সাহা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত হযরত দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চেংটিমারি গ্রামের ইমান হোসেনের ছেলে। এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা কারাগারের ভেতরে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। তিনি বকশীগঞ্জ থানার অধীনে মামলার আসামি ছিলেন। অভিযুক্ত অপর হাজতির নাম রহিদুর মিয়া (৪০)। তিনি বকশীগঞ্জ উপজেলার কামালপুরের বালুরগাঁও গ্রামের মৃত ছামিউল হকের ছেলে।

কারাগার সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকালে কারাগারের ভেতরে কাশি ও থুথু ফেলা নিয়ে হাজতি হযরতের সঙ্গে রহিদুর মিয়ার বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে রহিদুর মিয়া একটি কাঠ দিয়ে হযরতের মাথায় পরপর কয়েকবার আঘাত করে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে কারাগার কর্তৃপক্ষ তাকে উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। অবস্থার অবনতি হলে সেদিনই প্রথমে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। শুক্রবার দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

জেলার লিপি রানী সাহা বলেন, হযরতের লাশ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। অপর হাজতি রহিদুর মিয়া জামালপুর কারাগারে রয়েছে। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।