ঢাকা ০২:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬

পুকুরের মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত ৩০

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৮:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় পুকুরের মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নারী ও শিশুসহ কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সকালে মাধাইনগর ইউনিয়নের সরাপপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আহতদের মধ্যে পাঁচ জনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকিরা তাড়াশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন। নারী-পুরুষসহ একাধিক শিশুকেও প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, নিমগাছি সমাজভিত্তিক মৎস্য চাষ প্রকল্পের আওতায় সরাপপুর গ্রামের প্রায় ৮ বিঘা আয়তনের মঙ্গলা পুকুরের সুফলভোগীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। দুই পক্ষই পুকুরে মাছ ছাড়ার দাবি জানাচ্ছিল।

এ সময় রাশেদুল ইসলাম রাসুর নেতৃত্বে একদল লোক পুকুরে মাছ ধরতে যান। তখন প্রতিপক্ষ নজরুল ইসলাম লোকজন নিয়ে বাধা দেন। এরপরই দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। লাঠিসোঁটা, লোহার রড ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী এই সংঘর্ষে কমপক্ষে ৩০ জন আহত হন।

তাড়াশ থানার ওসি জিয়াউর রহমান বলেন, সরাপপুর গ্রাম এখন পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সবাই বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা নিচ্ছেন। এখনও কোনও মামলা হয়নি এবং কেউ অভিযোগও দেয়নি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সফরে ইবাদত: মুসাফিরের জন্য নামাজ ও রোজার শরয়ী বিধান

পুকুরের মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত ৩০

আপডেট সময় : ০৪:৪৮:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় পুকুরের মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নারী ও শিশুসহ কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সকালে মাধাইনগর ইউনিয়নের সরাপপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আহতদের মধ্যে পাঁচ জনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকিরা তাড়াশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন। নারী-পুরুষসহ একাধিক শিশুকেও প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, নিমগাছি সমাজভিত্তিক মৎস্য চাষ প্রকল্পের আওতায় সরাপপুর গ্রামের প্রায় ৮ বিঘা আয়তনের মঙ্গলা পুকুরের সুফলভোগীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। দুই পক্ষই পুকুরে মাছ ছাড়ার দাবি জানাচ্ছিল।

এ সময় রাশেদুল ইসলাম রাসুর নেতৃত্বে একদল লোক পুকুরে মাছ ধরতে যান। তখন প্রতিপক্ষ নজরুল ইসলাম লোকজন নিয়ে বাধা দেন। এরপরই দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। লাঠিসোঁটা, লোহার রড ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী এই সংঘর্ষে কমপক্ষে ৩০ জন আহত হন।

তাড়াশ থানার ওসি জিয়াউর রহমান বলেন, সরাপপুর গ্রাম এখন পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সবাই বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা নিচ্ছেন। এখনও কোনও মামলা হয়নি এবং কেউ অভিযোগও দেয়নি।