ঢাকা ০২:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

হোমিওপ্যাথি: সেকেলে নয়, আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত চিকিৎসা ব্যবস্থা

অনেকের মনেই একটি প্রচলিত ধারণা রয়েছে যে, হোমিওপ্যাথি একটি প্রাচীন বা সেকেলে চিকিৎসা পদ্ধতি। তবে এই ধারণা একেবারেই সঠিক নয়। বরং, হোমিওপ্যাথি হলো সর্বাধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত একটি চিকিৎসা ব্যবস্থা। চিকিৎসা ব্যবস্থার দীর্ঘ ইতিহাসে আয়ুর্বেদিক, এলোপ্যাথি এবং ইউনানির মতো পদ্ধতিগুলোর অনেক পরে হোমিওপ্যাথির প্রবর্তন ঘটে।

আনুমানিক পাঁচ হাজার বছর আগে ভারতে আয়ুর্বেদিক পদ্ধতির সূচনা হয়েছিল। প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে গ্রিক চিকিৎসক হিপোক্রেটিস ও গ্যালেন এলোপ্যাথির ভিত্তি স্থাপন করেন। অন্যদিকে, মধ্যযুগে, অর্থাৎ ২০০ খ্রিস্টাব্দ থেকে চতুর্দশ শতাব্দীর মধ্যে ইউনানি চিকিৎসা পদ্ধতির বিকাশ ঘটে। এর বিপরীতে, হোমিওপ্যাথি আধুনিক যুগে, বিশেষ করে অষ্টাদশ শতাব্দীতে প্রবর্তিত হয়।

১৭৯৬ সালে বিশ্বখ্যাত চিকিৎসক ডা. স্যামুয়েল হ্যানিম্যান এলোপ্যাথিক চিকিৎসায় বিভিন্ন ব্যর্থতা, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এবং কেবল উপশম প্রদানে সীমাবদ্ধতা দেখে বীতশ্রদ্ধ হয়ে দীর্ঘ গবেষণার পর হোমিওপ্যাথির সূচনা করেন। এই প্রেক্ষাপটে স্পষ্ট যে, আয়ুর্বেদিক, এলোপ্যাথিক ও ইউনানির তুলনায় হোমিওপ্যাথি অনেক পরবর্তী সময়ে এসেছে। তাই এটি প্রাচীন বা মান্ধাতার আমলের নয়, বরং তাদের চেয়ে আধুনিক, আরোগ্যকর, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন এবং সহজবোধ্য একটি চিকিৎসা পদ্ধতি। বিজ্ঞানসম্মত দিক থেকেও এটি অধিকতর কার্যকর, যা রোগীর আরোগ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের আশঙ্কায় তেলের দাম বৃদ্ধি, শেয়ারবাজারে উদ্বেগ

হোমিওপ্যাথি: সেকেলে নয়, আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত চিকিৎসা ব্যবস্থা

আপডেট সময় : ১২:০৩:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

অনেকের মনেই একটি প্রচলিত ধারণা রয়েছে যে, হোমিওপ্যাথি একটি প্রাচীন বা সেকেলে চিকিৎসা পদ্ধতি। তবে এই ধারণা একেবারেই সঠিক নয়। বরং, হোমিওপ্যাথি হলো সর্বাধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত একটি চিকিৎসা ব্যবস্থা। চিকিৎসা ব্যবস্থার দীর্ঘ ইতিহাসে আয়ুর্বেদিক, এলোপ্যাথি এবং ইউনানির মতো পদ্ধতিগুলোর অনেক পরে হোমিওপ্যাথির প্রবর্তন ঘটে।

আনুমানিক পাঁচ হাজার বছর আগে ভারতে আয়ুর্বেদিক পদ্ধতির সূচনা হয়েছিল। প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে গ্রিক চিকিৎসক হিপোক্রেটিস ও গ্যালেন এলোপ্যাথির ভিত্তি স্থাপন করেন। অন্যদিকে, মধ্যযুগে, অর্থাৎ ২০০ খ্রিস্টাব্দ থেকে চতুর্দশ শতাব্দীর মধ্যে ইউনানি চিকিৎসা পদ্ধতির বিকাশ ঘটে। এর বিপরীতে, হোমিওপ্যাথি আধুনিক যুগে, বিশেষ করে অষ্টাদশ শতাব্দীতে প্রবর্তিত হয়।

১৭৯৬ সালে বিশ্বখ্যাত চিকিৎসক ডা. স্যামুয়েল হ্যানিম্যান এলোপ্যাথিক চিকিৎসায় বিভিন্ন ব্যর্থতা, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এবং কেবল উপশম প্রদানে সীমাবদ্ধতা দেখে বীতশ্রদ্ধ হয়ে দীর্ঘ গবেষণার পর হোমিওপ্যাথির সূচনা করেন। এই প্রেক্ষাপটে স্পষ্ট যে, আয়ুর্বেদিক, এলোপ্যাথিক ও ইউনানির তুলনায় হোমিওপ্যাথি অনেক পরবর্তী সময়ে এসেছে। তাই এটি প্রাচীন বা মান্ধাতার আমলের নয়, বরং তাদের চেয়ে আধুনিক, আরোগ্যকর, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন এবং সহজবোধ্য একটি চিকিৎসা পদ্ধতি। বিজ্ঞানসম্মত দিক থেকেও এটি অধিকতর কার্যকর, যা রোগীর আরোগ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।