ঢাকা ১২:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

বান্দরবানের লামায় জরাজীর্ণ এতিমখানায় খোলা আকাশের নিচে কোমলমতি শিশুরা

বান্দরবান জেলার লামা উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি এলাকা রুপসীপাড়া ইউনিয়নে অবস্থিত রুপসীপাড়া ইসলামিয়া এতিমখানাটি চরম অবহেলা ও সংকটের মধ্যে পরিচালিত হচ্ছে। জরাজীর্ণ টিনের ঘরে প্রায় ৪৫ জন অসহায় ও নিরাশ্রয় শিশু এখানে পড়ালেখা করছে, যাদের মাথার ওপর পাকা ছাদ নেই।

সীমানা প্রাচীর না থাকায় শিশুরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। গত ১৮ বছর ধরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের শরণাপন্ন হয়েও এতিমখানার কর্তৃপক্ষ কোনো সমাধান পায়নি। অভিভাবক ও এলাকাবাসী দ্রুত পাকা ভবন নির্মাণসহ অন্যান্য সংকট নিরসনে সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতা কামনা করেছেন।

রুপসীপাড়া ইউনিয়নের অধিকাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করে। ১৯৯১ সালে স্থানীয় উদ্যোক্তাদের উদ্যোগে টিনের ছাউনি ও টিনের বেড়ার দুই কক্ষ বিশিষ্ট এই এতিমখানাটি স্থাপন করা হয়। ১৯৯৩ সালে সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক নিবন্ধনের পর এটি ক্যাপিটেশন এন্ড গ্রান্ড প্রাপ্ত হয়। বর্তমানে ৪৫ জন শিশুর মধ্যে মাত্র ১৮ জন সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছে। মাত্র দুজন শিক্ষক দিয়ে হেফজ ও নূরানী শিক্ষা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

এতিমখানাটির বেড়া ভেঙে গেছে, খুঁটি নড়বড়ে হয়ে পড়েছে এবং দরজা-জানালাও ক্ষতিগ্রস্ত। যেকোনো সময় ভবনটি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্ব অর্থনীতিতে সেমিকন্ডাক্টরের রাজত্ব এবং বাংলাদেশের অপার সম্ভাবনা

বান্দরবানের লামায় জরাজীর্ণ এতিমখানায় খোলা আকাশের নিচে কোমলমতি শিশুরা

আপডেট সময় : ১০:০৯:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

বান্দরবান জেলার লামা উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি এলাকা রুপসীপাড়া ইউনিয়নে অবস্থিত রুপসীপাড়া ইসলামিয়া এতিমখানাটি চরম অবহেলা ও সংকটের মধ্যে পরিচালিত হচ্ছে। জরাজীর্ণ টিনের ঘরে প্রায় ৪৫ জন অসহায় ও নিরাশ্রয় শিশু এখানে পড়ালেখা করছে, যাদের মাথার ওপর পাকা ছাদ নেই।

সীমানা প্রাচীর না থাকায় শিশুরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। গত ১৮ বছর ধরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের শরণাপন্ন হয়েও এতিমখানার কর্তৃপক্ষ কোনো সমাধান পায়নি। অভিভাবক ও এলাকাবাসী দ্রুত পাকা ভবন নির্মাণসহ অন্যান্য সংকট নিরসনে সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতা কামনা করেছেন।

রুপসীপাড়া ইউনিয়নের অধিকাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করে। ১৯৯১ সালে স্থানীয় উদ্যোক্তাদের উদ্যোগে টিনের ছাউনি ও টিনের বেড়ার দুই কক্ষ বিশিষ্ট এই এতিমখানাটি স্থাপন করা হয়। ১৯৯৩ সালে সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক নিবন্ধনের পর এটি ক্যাপিটেশন এন্ড গ্রান্ড প্রাপ্ত হয়। বর্তমানে ৪৫ জন শিশুর মধ্যে মাত্র ১৮ জন সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছে। মাত্র দুজন শিক্ষক দিয়ে হেফজ ও নূরানী শিক্ষা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

এতিমখানাটির বেড়া ভেঙে গেছে, খুঁটি নড়বড়ে হয়ে পড়েছে এবং দরজা-জানালাও ক্ষতিগ্রস্ত। যেকোনো সময় ভবনটি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।