পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ‘অনুপ্রবেশকারী’দের বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার মন্তব্য যখন গণমাধ্যমে আলোচিত, ঠিক সেই সময়ে ভারতের কর্ণাটকের পরিবহনমন্ত্রী বাইরাথি ছদ্মবেশে সাধারণ বাসযাত্রী হিসেবে গণপরিবহনে চড়ে এক ভিন্ন বার্তা দিয়েছেন। মাস্ক পরিহিত মন্ত্রীর সঙ্গে বাস কনডাক্টরের সাধারণ যাত্রীদের মতোই আচরণ ছিল। এক পর্যায়ে ১০০ রুপির নোটের ভাঙতি দিতে না পারায় তাকে বাস থেকে নেমে যেতেও বলা হয়।
প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে একাধিক রুটের গণপরিবহনে ছদ্মবেশে চড়ে মন্ত্রী বাইরাথি সাধারণ যাত্রীদের অভিজ্ঞতা অর্জন করেন এবং বাস ড্রাইভার-কনডাক্টরদের আচরণ পর্যবেক্ষণ করেন। গণমাধ্যমে রাজনৈতিক নেতাদের দাপট ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের বিপরীতে বাইরাথির এই উদ্যোগ ভারতে প্রশংসিত হয়েছে। এমন জনপ্রতিনিধিরা ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়াদির সুষ্ঠু তদারকিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন বলে মনে করছেন অনেকে।
বাংলাদেশী প্রেক্ষাপটে এমন জনপ্রতিনিধিদের অভাব ও তাদের আচরণের ভিন্নতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একদিকে আমজনতা জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকে লম্বা-চওড়া প্রতিশ্রুতি শুনতে ভালোবাসে, অন্যদিকে নির্বাচিত হওয়ার পর তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষায় অক্ষমতা বা ইচ্ছাকৃত অবহেলা সাধারণ মানুষকে হতাশ করে। প্রতিবাদ করার সুযোগ সীমিত হওয়ায় জনদুর্ভোগকে অনেক সময় স্বাভাবিক ঘটনা হিসেবে মেনে নিতে হয়।
রিপোর্টারের নাম 




















