ঢাকা ১২:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ: আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের শিরোনাম ও প্রতিক্রিয়া

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের ঘটনা শুক্রবার বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন প্রভাবশালী গণমাধ্যমের শিরোনাম হয়েছে। রয়টার্স, বিবিসি, আলজাজিরা, ব্লুমবার্গ, সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট, মানিকন্ট্রোল এবং ডব্লিউআইওএন-এর মতো আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো এ বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনগুলোতে মূলত তার মেয়াদ পূর্তির আগেই সরে দাঁড়ানো, শারীরিক অসুস্থতার খবর এবং দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট স্থান পেয়েছে। আলজাজিরা তাদের শিরোনামে বলেছে, ‘বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ’। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সাম্প্রতিক স্বাস্থ্য পরীক্ষায় তার অটোনমিক নিউরোপ্যাথি রোগ ধরা পড়েছে এবং এই অসুস্থতার কারণে তিনি রাষ্ট্রপতি পদ থেকে পদত্যাগ করছেন। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিবের প্রকাশিত বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। সংবিধান অনুযায়ী, আগামী ৯০ দিনের মধ্যে দেশে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। রয়টার্স ‘স্বাস্থ্যগত কারণে ৭৬ বছর বয়সী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। তারা উল্লেখ করেছে, ২০২৩ সালের এপ্রিলে দায়িত্ব নেওয়া রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেন। সংস্থাটি স্মরণ করিয়ে দেয় যে, ২০২৪ সালের আগস্টে দেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছিল। বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতির পদটি প্রধানত আলঙ্কারিক এবং নির্বাহী ক্ষমতার মূল চালিকাশক্তি প্রধানমন্ত্রী ও তার মন্ত্রিসভা।

বিবিসি তাদের সংবাদে ‘শেখ হাসিনার সহযোগী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ’ শিরোনাম ব্যবহার করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশে রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনের আগ্রহ প্রকাশের পর থেকেই রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনকে পদ ছাড়ার বিষয়ে এক ধরনের চাপ তৈরি হয়। বিবিসি বাংলার বরাতে বলা হয়, ক্ষমতাসীন দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের পক্ষ থেকেই তাকে পদ ছাড়ার জন্য জোরালো চাপ দেওয়া হচ্ছিল। শারীরিক জটিলতাকে কারণ হিসেবে দেখানো হলেও এর নেপথ্যে রাজনৈতিক পরিস্থিতি মূল ভূমিকা রেখেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত শীর্ষ মাদক কারবারি থানার ভেতরেই ঘুরে বেড়াচ্ছেন: চাঞ্চল্য রাজশাহীতে

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ: আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের শিরোনাম ও প্রতিক্রিয়া

আপডেট সময় : ১০:৪৭:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের ঘটনা শুক্রবার বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন প্রভাবশালী গণমাধ্যমের শিরোনাম হয়েছে। রয়টার্স, বিবিসি, আলজাজিরা, ব্লুমবার্গ, সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট, মানিকন্ট্রোল এবং ডব্লিউআইওএন-এর মতো আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো এ বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনগুলোতে মূলত তার মেয়াদ পূর্তির আগেই সরে দাঁড়ানো, শারীরিক অসুস্থতার খবর এবং দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট স্থান পেয়েছে। আলজাজিরা তাদের শিরোনামে বলেছে, ‘বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ’। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সাম্প্রতিক স্বাস্থ্য পরীক্ষায় তার অটোনমিক নিউরোপ্যাথি রোগ ধরা পড়েছে এবং এই অসুস্থতার কারণে তিনি রাষ্ট্রপতি পদ থেকে পদত্যাগ করছেন। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিবের প্রকাশিত বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। সংবিধান অনুযায়ী, আগামী ৯০ দিনের মধ্যে দেশে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। রয়টার্স ‘স্বাস্থ্যগত কারণে ৭৬ বছর বয়সী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। তারা উল্লেখ করেছে, ২০২৩ সালের এপ্রিলে দায়িত্ব নেওয়া রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেন। সংস্থাটি স্মরণ করিয়ে দেয় যে, ২০২৪ সালের আগস্টে দেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছিল। বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতির পদটি প্রধানত আলঙ্কারিক এবং নির্বাহী ক্ষমতার মূল চালিকাশক্তি প্রধানমন্ত্রী ও তার মন্ত্রিসভা।

বিবিসি তাদের সংবাদে ‘শেখ হাসিনার সহযোগী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ’ শিরোনাম ব্যবহার করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশে রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনের আগ্রহ প্রকাশের পর থেকেই রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনকে পদ ছাড়ার বিষয়ে এক ধরনের চাপ তৈরি হয়। বিবিসি বাংলার বরাতে বলা হয়, ক্ষমতাসীন দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের পক্ষ থেকেই তাকে পদ ছাড়ার জন্য জোরালো চাপ দেওয়া হচ্ছিল। শারীরিক জটিলতাকে কারণ হিসেবে দেখানো হলেও এর নেপথ্যে রাজনৈতিক পরিস্থিতি মূল ভূমিকা রেখেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।