শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, নতুন পাঠ্যবইয়ে বাংলাদেশের ইতিহাস সঠিকভাবে উপস্থাপন করা হবে এবং কোনো ধরনের ইতিহাস বিকৃতি বরদাশত করা হবে না। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইতিহাস তার নিজস্ব গতিপথেই চলবে। শুক্রবার বিকেলে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার মনোহরপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক শিক্ষক সমাবেশ ও মতবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, আনন্দময়, কারিগরি ও জীবনমুখী শিক্ষা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত নতুন পাঠ্যবই প্রণয়নের কাজ চলছে। ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে সারাদেশে একযোগে প্রায় ৩১ কোটি মানসম্পন্ন নতুন পাঠ্যবই বিতরণের পরিকল্পনা রয়েছে। নতুন বইগুলোতে কারিগরি ও জীবনমুখী শিক্ষাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
আ ন ম এহসানুল হক মিলন শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, প্রতিটি উপজেলায় নিজস্ব ক্রীড়া দল গঠন করা হবে এবং দেশের ৬৪টি জেলা ও পাঁচটি বিভাগীয় পর্যায়ে নিয়মিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। নতুন সিলেবাসে লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা এবং পারিবারিক মূল্যবোধ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মনোহরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি আলহাজ খোরশেদ আলম মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আহসান পারভেজ, কচুয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. খায়রুল আবেদীন স্বপন এবং সাধারণ সম্পাদক মাসুদ এলাহী সুভাষসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 





















