ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে ব্যাপক অনিয়ম, বিধি লঙ্ঘন এবং চৌর্যবৃত্তির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার পরিবর্তে সিঅ্যান্ডডি কমিটির সভা থেকে খোদ বিভাগীয় চেয়ারম্যানকে বের করে দিয়ে বিতর্কিত প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়ার প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে নানা মহলে সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, অধ্যাপক পদে এক প্রার্থীর বিরুদ্ধে চৌর্যবৃত্তির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও সেগুলোকে পাশ কাটিয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। বিভাগীয় চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. মুমিত আল রশিদ এই বিষয়ে লিখিত আপত্তি জানালেও তা আমলে নেওয়া হয়নি। উল্টো গত ১৪ মে অনুষ্ঠিত সিঅ্যান্ডডি কমিটির সভায় তাকে উপস্থিত থাকতে বাধা দেওয়া হয় এবং কলা অনুষদের ডিনের নির্দেশে তাকে সভাকক্ষ ত্যাগে বাধ্য করা হয়। চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিতেই সভার কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত রীতির পরিপন্থী বলে দাবি করা হচ্ছে।
ভুক্তভোগী বিভাগীয় চেয়ারম্যান এই ঘটনার প্রতিকার চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন। তবে রেজিস্ট্রার দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, ওই সভায় কোনো বিধি লঙ্ঘন হয়নি এবং যথাযথ নিয়ম মেনেই রেজুলেশন তৈরি করা হয়েছে। এদিকে, চৌর্যবৃত্তির মতো গুরুতর অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও কীভাবে একজন প্রার্থীর নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান থাকে, তা নিয়ে সাধারণ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
রিপোর্টারের নাম 

























