জুলাইয়ের রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে অর্জিত বিজয়কে ম্লান করতে এবং জনমনে বিভ্রান্তি ছড়াতে নতুন করে সক্রিয় হয়ে উঠেছে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের পুরনো রাজনৈতিক মিত্ররা। বিশেষ করে বাম ঘরানার কিছু নেতা ও বুদ্ধিজীবী এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ মূলধারার গণমাধ্যমেও বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কঠোর সমালোচনা করছেন। তাদের মূল লক্ষ্য হলো দেড় সহস্রাধিক মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত এই পরিবর্তনকে একটি ষড়যন্ত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা।
বিশ্লেষকরা বলছেন, গত দেড় দশকের দুঃশাসন, গুম ও বিচারহীনতার সংস্কৃতিকে আড়াল করতেই এই অপতৎপরতা চালানো হচ্ছে। গণঅভ্যুত্থানের মূল শক্তি ছিল সাধারণ মানুষের বাকস্বাধীনতা ফিরে পাওয়া। দীর্ঘ সময় পর দেশের মানুষ এখন স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারছে, যার প্রতিফলন দেখা গেছে রাজধানীসহ সারা দেশের দেয়ালে দেয়ালে আঁকা দ্রোহের গ্রাফিতিতে।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, এই আন্দোলনে প্রায় এক হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ছিল শিশু ও নারী। সাভারের নাফিসার মতো কিশোরীদের আত্মত্যাগ আজও দেশবাসীকে আবেগাপ্লুত করে। দ্বিতীয়বার স্বাধীন হওয়া এই বাংলাদেশে শহীদদের রক্ত বৃথা যেতে না দেওয়ার শপথ নিয়েছিলেন ছাত্র-জনতা। তবে বর্তমানে পতিত স্বৈরশাসকের সহযোগীদের সরব উপস্থিতি সেই অর্জনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা চালাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
রিপোর্টারের নাম 
























