ঢাকা ০৫:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

সোনারগাঁয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ১৪ কিলোমিটার মরণফাঁদ: ভোগান্তিতে হাজারো যাত্রী

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

টানা বর্ষণে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ অংশে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন স্থান খানাখন্দে ভরে গিয়ে এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। এতে প্রতিদিন হাজার হাজার যানবাহন চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। বিশেষ করে রাতে দুর্ঘটনার পাশাপাশি ছিনতাইয়ের আতঙ্কও বেড়েছে।

জানা গেছে, সোনারগাঁয়ের কাঁচপুর সেতুর পূর্ব পাশ থেকে শুরু করে মদনপুর, লাঙ্গলবন্দ, মোগরাপাড়া চৌরাস্তা এবং মেঘনা টোলপ্লাজা পর্যন্ত মহাসড়কের উভয় পাশে প্রায় ১৪ কিলোমিটারের বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে ছোট-বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। বৃষ্টির মধ্যে যানবাহন চলাচলের কারণে সৃষ্ট এসব গর্ত এখন অত্যন্ত বিপজ্জনক। ভারী বর্ষণে গর্তে পানি জমে থাকায় চালকরা অনেক সময় গভীরতা বুঝতে না পেরে ছোট-বড় দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন।

কুমিল্লার তিশা পরিবহনের চালক শুক্কুর আলী জানান, দিনে গর্তগুলো এড়িয়ে চলা গেলেও রাতে পথ চলতে ভীষণ সমস্যা হয়। প্রায়ই গাড়ির চাকা গর্তে আটকে গিয়ে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে এবং গাড়ি বিকল হয়ে যাচ্ছে। এতে চালক ও যাত্রীদের ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। ট্যাক্সিচালক মনির হোসেন অভিযোগ করেন, একবার গাড়ির চাকা গর্তে পড়লে নিয়ন্ত্রণ রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। তিনি দায়সারা মেরামতের কারণে বারবার কার্পেটিং উঠে যাওয়ার কথা উল্লেখ করে ছিনতাইকারীর দৌরাত্ম্যের কথাও জানান।

এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহিম জানান, টানা বৃষ্টির কারণে মহাসড়কে নতুন করে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া মহাসড়কের পাশের ঘাস ও ঝোপঝাড়ের কারণে পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হওয়ায় রাস্তা দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তিনি আরও জানান, বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এবং এরই মধ্যে সংস্কারকাজ শুরু হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এক সপ্তাহের মধ্যেই সড়কটি চলাচলের জন্য ঝুঁকিমুক্ত করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতারণার মামলায় জামিন পেলেন তৌহিদ আফ্রিদি

সোনারগাঁয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ১৪ কিলোমিটার মরণফাঁদ: ভোগান্তিতে হাজারো যাত্রী

আপডেট সময় : ০৯:৪৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

টানা বর্ষণে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ অংশে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন স্থান খানাখন্দে ভরে গিয়ে এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। এতে প্রতিদিন হাজার হাজার যানবাহন চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। বিশেষ করে রাতে দুর্ঘটনার পাশাপাশি ছিনতাইয়ের আতঙ্কও বেড়েছে।

জানা গেছে, সোনারগাঁয়ের কাঁচপুর সেতুর পূর্ব পাশ থেকে শুরু করে মদনপুর, লাঙ্গলবন্দ, মোগরাপাড়া চৌরাস্তা এবং মেঘনা টোলপ্লাজা পর্যন্ত মহাসড়কের উভয় পাশে প্রায় ১৪ কিলোমিটারের বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে ছোট-বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। বৃষ্টির মধ্যে যানবাহন চলাচলের কারণে সৃষ্ট এসব গর্ত এখন অত্যন্ত বিপজ্জনক। ভারী বর্ষণে গর্তে পানি জমে থাকায় চালকরা অনেক সময় গভীরতা বুঝতে না পেরে ছোট-বড় দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন।

কুমিল্লার তিশা পরিবহনের চালক শুক্কুর আলী জানান, দিনে গর্তগুলো এড়িয়ে চলা গেলেও রাতে পথ চলতে ভীষণ সমস্যা হয়। প্রায়ই গাড়ির চাকা গর্তে আটকে গিয়ে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে এবং গাড়ি বিকল হয়ে যাচ্ছে। এতে চালক ও যাত্রীদের ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। ট্যাক্সিচালক মনির হোসেন অভিযোগ করেন, একবার গাড়ির চাকা গর্তে পড়লে নিয়ন্ত্রণ রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। তিনি দায়সারা মেরামতের কারণে বারবার কার্পেটিং উঠে যাওয়ার কথা উল্লেখ করে ছিনতাইকারীর দৌরাত্ম্যের কথাও জানান।

এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহিম জানান, টানা বৃষ্টির কারণে মহাসড়কে নতুন করে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া মহাসড়কের পাশের ঘাস ও ঝোপঝাড়ের কারণে পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হওয়ায় রাস্তা দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তিনি আরও জানান, বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এবং এরই মধ্যে সংস্কারকাজ শুরু হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এক সপ্তাহের মধ্যেই সড়কটি চলাচলের জন্য ঝুঁকিমুক্ত করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।