ঢাকা ০৯:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

বিক্ষোভের মাঝে দিল্লিতে ইন্টারনেট বন্ধের অভিযোগ, উত্তপ্ত পরিস্থিতি

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শহরের কিছু এলাকায় ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। সোমবার দলটি দাবি করে, বিক্ষোভের তথ্য ও ঘটনাপ্রবাহ সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানো ঠেকাতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

দলটির অভিযোগ, যন্তর মন্তরের কাছে হাজারো সমর্থক জড়ো হয়ে বিক্ষোভে অংশ নেন। এ সময় তাদের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট থেকে জানানো হয়, ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় মাঠপর্যায়ের হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে না। সিজেপি আরও অভিযোগ করে, দিল্লির বিভিন্ন এলাকা থেকে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ থাকার অসংখ্য অভিযোগ তারা পাচ্ছে। একই সঙ্গে তারা সমর্থকদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলে, এই কঠিন সময়ে আমরা সবাইকে তথ্য জানাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। অনুগ্রহ করে সব সময় শান্ত থাকুন।

অপরদিকে, ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচিকে ঘিরে দিল্লিজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকা সত্ত্বেও বিক্ষোভকারীরা সংসদ ভবনের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে যন্তর মন্তর ও পার্লামেন্ট স্ট্রিট এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও র‌্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (আরএএফ) মোতায়েন করা হয়। একপর্যায়ে ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করলে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে। এর আগে দিল্লি পুলিশ জানায়, প্রস্তাবিত ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচির জন্য কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি এবং নিউ দিল্লি জেলায় জারি করা নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে। তবে ইন্টারনেট সেবা বন্ধের অভিযোগের বিষয়ে দিল্লি পুলিশ বা সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত চরমে: ১০ম রাতেও মার্কিন হামলা, পাল্টা জবাব তেহরানের

বিক্ষোভের মাঝে দিল্লিতে ইন্টারনেট বন্ধের অভিযোগ, উত্তপ্ত পরিস্থিতি

আপডেট সময় : ০৫:৫২:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শহরের কিছু এলাকায় ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। সোমবার দলটি দাবি করে, বিক্ষোভের তথ্য ও ঘটনাপ্রবাহ সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানো ঠেকাতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

দলটির অভিযোগ, যন্তর মন্তরের কাছে হাজারো সমর্থক জড়ো হয়ে বিক্ষোভে অংশ নেন। এ সময় তাদের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট থেকে জানানো হয়, ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় মাঠপর্যায়ের হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে না। সিজেপি আরও অভিযোগ করে, দিল্লির বিভিন্ন এলাকা থেকে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ থাকার অসংখ্য অভিযোগ তারা পাচ্ছে। একই সঙ্গে তারা সমর্থকদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলে, এই কঠিন সময়ে আমরা সবাইকে তথ্য জানাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। অনুগ্রহ করে সব সময় শান্ত থাকুন।

অপরদিকে, ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচিকে ঘিরে দিল্লিজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকা সত্ত্বেও বিক্ষোভকারীরা সংসদ ভবনের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে যন্তর মন্তর ও পার্লামেন্ট স্ট্রিট এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও র‌্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (আরএএফ) মোতায়েন করা হয়। একপর্যায়ে ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করলে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে। এর আগে দিল্লি পুলিশ জানায়, প্রস্তাবিত ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচির জন্য কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি এবং নিউ দিল্লি জেলায় জারি করা নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে। তবে ইন্টারনেট সেবা বন্ধের অভিযোগের বিষয়ে দিল্লি পুলিশ বা সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।