ঢাকা ০৫:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

ক্যানসার চিকিৎসায় হাহাকার: দেড় বছর পর মিলছে রেডিওথেরাপির সিরিয়াল

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৮:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

দেশের ক্যানসার আক্রান্ত রোগীদের শেষ ভরসাস্থল জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসার নামে চলছে চরম ভোগান্তি। টাঙ্গাইলের সখীপুরের আলেয়া বেগমের মতো শত শত রোগী এখন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন, কিন্তু মিলছে না প্রয়োজনীয় রেডিওথেরাপি। ক্যানসার ছড়িয়ে পড়া শরীরে তীব্র ব্যথা নিয়ে হাসপাতালের বারান্দায় কাতরালেও তাকে সিরিয়াল দেওয়া হয়েছে ২০২৭ সালের মার্চ মাসে। অর্থাৎ চিকিৎসার জন্য তাকে অপেক্ষা করতে হবে আরও এক বছরের বেশি সময়।

হাসপাতালটির চিত্র এখন এমনই ভয়াবহ। কুমিল্লার মকবুল খানও একই পরিস্থিতির শিকার। সরকারিভাবে ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকায় যে থেরাপি পাওয়ার কথা, বেসরকারি হাসপাতালে তার জন্য খরচ করতে হয় প্রায় দুই লাখ টাকা। নিম্নবিত্ত বা মধ্যবিত্ত পরিবারের পক্ষে এই ব্যয় বহন করা প্রায় অসম্ভব। যন্ত্রপাতির সংকট ও দীর্ঘ অপেক্ষার ফলে অনেক রোগীর অবস্থা জটিল হয়ে পড়ছে, এমনকি চিকিৎসার অভাবেই প্রাণ হারাচ্ছেন অনেকে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ৫০০ শয্যার এই হাসপাতালে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির অর্ধেকের বেশি এখন অচল। সিটি স্ক্যান, এমআরআই এবং মেমোগ্রাফির মতো গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাগুলো দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকায় রোগীরা বাইরের ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ওপর নির্ভরশীল হতে বাধ্য হচ্ছেন। এমনকি সাধারণ গ্লাভস বা স্যালাইন সেটের মতো মৌলিক সামগ্রীরও মাঝেমধ্যে সংকট দেখা দেয়। ধারণক্ষমতার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি রোগীর চাপ এবং দালালচক্রের দৌরাত্ম্যে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতারণার মামলায় জামিন পেলেন তৌহিদ আফ্রিদি

ক্যানসার চিকিৎসায় হাহাকার: দেড় বছর পর মিলছে রেডিওথেরাপির সিরিয়াল

আপডেট সময় : ০৯:৪৮:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

দেশের ক্যানসার আক্রান্ত রোগীদের শেষ ভরসাস্থল জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসার নামে চলছে চরম ভোগান্তি। টাঙ্গাইলের সখীপুরের আলেয়া বেগমের মতো শত শত রোগী এখন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন, কিন্তু মিলছে না প্রয়োজনীয় রেডিওথেরাপি। ক্যানসার ছড়িয়ে পড়া শরীরে তীব্র ব্যথা নিয়ে হাসপাতালের বারান্দায় কাতরালেও তাকে সিরিয়াল দেওয়া হয়েছে ২০২৭ সালের মার্চ মাসে। অর্থাৎ চিকিৎসার জন্য তাকে অপেক্ষা করতে হবে আরও এক বছরের বেশি সময়।

হাসপাতালটির চিত্র এখন এমনই ভয়াবহ। কুমিল্লার মকবুল খানও একই পরিস্থিতির শিকার। সরকারিভাবে ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকায় যে থেরাপি পাওয়ার কথা, বেসরকারি হাসপাতালে তার জন্য খরচ করতে হয় প্রায় দুই লাখ টাকা। নিম্নবিত্ত বা মধ্যবিত্ত পরিবারের পক্ষে এই ব্যয় বহন করা প্রায় অসম্ভব। যন্ত্রপাতির সংকট ও দীর্ঘ অপেক্ষার ফলে অনেক রোগীর অবস্থা জটিল হয়ে পড়ছে, এমনকি চিকিৎসার অভাবেই প্রাণ হারাচ্ছেন অনেকে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ৫০০ শয্যার এই হাসপাতালে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির অর্ধেকের বেশি এখন অচল। সিটি স্ক্যান, এমআরআই এবং মেমোগ্রাফির মতো গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাগুলো দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকায় রোগীরা বাইরের ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ওপর নির্ভরশীল হতে বাধ্য হচ্ছেন। এমনকি সাধারণ গ্লাভস বা স্যালাইন সেটের মতো মৌলিক সামগ্রীরও মাঝেমধ্যে সংকট দেখা দেয়। ধারণক্ষমতার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি রোগীর চাপ এবং দালালচক্রের দৌরাত্ম্যে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে।