ঢাকা ০৫:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

শিরোপা স্পেনের হলেও ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালে অনন্য উচ্চতায় লিওনেল মেসি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৭:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

মেটলাইফ স্টেডিয়ামে উপস্থিত ৮০ হাজারেরও বেশি দর্শকের চোখ ছিল ফুটবলের জাদুকর লিওনেল মেসির ওপর। নিয়তি হয়তো আর্জেন্টিনাকে টানা দ্বিতীয় শিরোপা দেয়নি, কিন্তু ৩৯ বছর বয়সেও মেসি যা দেখিয়েছেন, তা ফুটবল ইতিহাসে অমর হয়ে থাকবে। স্পেনের কাছে ১-০ গোলের হার আর্জেন্টিনার জন্য বেদনাদায়ক হলেও, এই ফাইনালটি ছিল মেসির এক গৌরবময় ও মহাকাব্যিক বিদায়ের মঞ্চ।

তরুণ ফুটবলারদের গতির এই বিশ্বকাপে ৩৯ বছরের মেসি খেলেছেন স্রেফ মেধা ও অভিজ্ঞতার জোরে। পুরো টুর্নামেন্টে আর্জেন্টিনার ১৯টি গোলের মধ্যে ১২টিতেই ছিল তার সরাসরি অবদান। ৮টি গোল এবং ৪টি অ্যাসিস্ট করে তিনি প্রমাণ করেছেন কেন তাকে সর্বকালের সেরা বলা হয়। গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে এমবাপ্পের ঠিক পেছনে থেকেই আসর শেষ করেছেন এই কিংবদন্তি।

পরিসংখ্যানের পাতায় মেসি নিজেকে নিয়ে গেছেন এমন এক উচ্চতায়, যা ছোঁয়া প্রায় অসম্ভব। প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে তিনটি ভিন্ন বিশ্বকাপের ফাইনালে অধিনায়কত্ব করার বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন তিনি। বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৩৩টি গোলে অবদান রাখার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ফুটবলে ২০০ ম্যাচের এলিট ক্লাবেও নাম লিখিয়েছেন মেসি। ট্রফি হয়তো স্পেনের ঘরে গেছে, কিন্তু ফুটবল রোমান্টিকদের হৃদয়ে এই বিশ্বকাপটি মেসির অমরত্বের সাক্ষী হয়েই থাকবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতারণার মামলায় জামিন পেলেন তৌহিদ আফ্রিদি

শিরোপা স্পেনের হলেও ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালে অনন্য উচ্চতায় লিওনেল মেসি

আপডেট সময় : ০৯:৪৭:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

মেটলাইফ স্টেডিয়ামে উপস্থিত ৮০ হাজারেরও বেশি দর্শকের চোখ ছিল ফুটবলের জাদুকর লিওনেল মেসির ওপর। নিয়তি হয়তো আর্জেন্টিনাকে টানা দ্বিতীয় শিরোপা দেয়নি, কিন্তু ৩৯ বছর বয়সেও মেসি যা দেখিয়েছেন, তা ফুটবল ইতিহাসে অমর হয়ে থাকবে। স্পেনের কাছে ১-০ গোলের হার আর্জেন্টিনার জন্য বেদনাদায়ক হলেও, এই ফাইনালটি ছিল মেসির এক গৌরবময় ও মহাকাব্যিক বিদায়ের মঞ্চ।

তরুণ ফুটবলারদের গতির এই বিশ্বকাপে ৩৯ বছরের মেসি খেলেছেন স্রেফ মেধা ও অভিজ্ঞতার জোরে। পুরো টুর্নামেন্টে আর্জেন্টিনার ১৯টি গোলের মধ্যে ১২টিতেই ছিল তার সরাসরি অবদান। ৮টি গোল এবং ৪টি অ্যাসিস্ট করে তিনি প্রমাণ করেছেন কেন তাকে সর্বকালের সেরা বলা হয়। গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে এমবাপ্পের ঠিক পেছনে থেকেই আসর শেষ করেছেন এই কিংবদন্তি।

পরিসংখ্যানের পাতায় মেসি নিজেকে নিয়ে গেছেন এমন এক উচ্চতায়, যা ছোঁয়া প্রায় অসম্ভব। প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে তিনটি ভিন্ন বিশ্বকাপের ফাইনালে অধিনায়কত্ব করার বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন তিনি। বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৩৩টি গোলে অবদান রাখার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ফুটবলে ২০০ ম্যাচের এলিট ক্লাবেও নাম লিখিয়েছেন মেসি। ট্রফি হয়তো স্পেনের ঘরে গেছে, কিন্তু ফুটবল রোমান্টিকদের হৃদয়ে এই বিশ্বকাপটি মেসির অমরত্বের সাক্ষী হয়েই থাকবে।