মালয়েশিয়ায় শ্রমবাজারে সিন্ডিকেট তৈরি করে কয়েক হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগে আওয়ামীলীগের সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের মালিকানাধীন ৪৯টি রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স প্রত্যাহার করেছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন- এলডিপি সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী কর্নেল (অব.) অলি আহমদের স্ত্রী ও মেয়ের মালিকানাধীন এজেন্সি, সাবেক এমপি বেনজীর আহমেদ, জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী, নিজাম উদ্দিন হাজারী, ব্যবসায়ী নূর আলী, রুহুল আমিন স্বপন ও মাহবুবুর রহমান সঞ্জুর মালিকানাধীন এজেন্সি।
রবিবার মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মালয়েশিয়ায় সিন্ডিকেট করে লোক পাঠিয়ে অতিরিক্ত অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে পল্টন থানায় একটি মানবপাচার মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলায় ৪৯ এজেন্সির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দিয়েছে তদন্তকারী কর্মকর্তা। তারই প্রেক্ষিতে এই ৪৯টি লাইসেন্স প্রত্যাহার করেছে মন্ত্রণালয়।
এদিকে প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর অনুকূলে ইস্যুকৃত লাইসেন্সের শর্ত অনুযায়ী প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান আইন, ২০১৩, বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী (সংশোধন) আইন, ২০২৩ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আইন ও বিধি-বিধান মেনে চলা বাধ্যতামূলক। তবে সংশ্লিষ্ট রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪০৬, ৪২০, ৩৮৫, ৩৮৬, ৪২৭ ও ৩৪ ধারায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল এবং তা গৃহীত হওয়ায় বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইন, ২০১৩-এর ১৩ ধারার ক্ষমতাবলে তাদের লাইসেন্স প্রত্যাহার করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনটিতে স্বাক্ষর করেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব রাশিদা আক্তার।
রিপোর্টারের নাম 























