ঢাকা ০৮:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

মাগুরায় শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায়: একজনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ

মাগুরা প্রতিনিধি: শ্রীপুরে চাঞ্চল্যকর শিশু রাজিয়া খাতুন (১৫) এর ধর্ষণ ও হত্যা মামলার একমাত্র আসামি হাসান শেখকে (২৮) মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছে আদালত। সোমবার দুপুরে মাগুরা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মিজানুর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হাসান শেখ শ্রীপুর উপজেলার শ্রীকোল গ্রামের ফজলু শেখের ছেলে। এই ঘটনায় নিহত রাজিয়ার বাবা মিকিজ শেখ ২০২২ সালের ১৯ মার্চ শ্রীপুর থানায় হাসান শেখকে আসামি করে একটি ধর্ষণ ও হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২২ সালের ১৭ মার্চ শ্রীপুর উপজেলার শ্রীকোল গ্রামের কুমার নদের তীরে একটি পেঁপেবাগানের পাশে বাঁশঝাড়ের নিচ থেকে শিশু রাজিয়ার লাশ উদ্ধার করেছিল পুলিশ। রাজিয়া ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল এবং বিকেলবেলা বাড়ির পাশের একটি জমিতে রসুনক্ষেত দেখতে বের হওয়ার পর থেকে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরে তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

মামলার রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে নিহত রাজিয়ার মা ছবিরন নেছা এই মৃত্যুদণ্ডের রায় দ্রুত কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন। রাষ্ট্রপক্ষে পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন এবং আসামিপক্ষে অ্যাডভোকেট মনির হোসেন বাবলু মামলাটি পরিচালনা করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদি আরবে হুতিদের নৌ অবরোধের ঘোষণা: বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা

মাগুরায় শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায়: একজনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ

আপডেট সময় : ০৪:৪৮:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

মাগুরা প্রতিনিধি: শ্রীপুরে চাঞ্চল্যকর শিশু রাজিয়া খাতুন (১৫) এর ধর্ষণ ও হত্যা মামলার একমাত্র আসামি হাসান শেখকে (২৮) মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছে আদালত। সোমবার দুপুরে মাগুরা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মিজানুর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হাসান শেখ শ্রীপুর উপজেলার শ্রীকোল গ্রামের ফজলু শেখের ছেলে। এই ঘটনায় নিহত রাজিয়ার বাবা মিকিজ শেখ ২০২২ সালের ১৯ মার্চ শ্রীপুর থানায় হাসান শেখকে আসামি করে একটি ধর্ষণ ও হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২২ সালের ১৭ মার্চ শ্রীপুর উপজেলার শ্রীকোল গ্রামের কুমার নদের তীরে একটি পেঁপেবাগানের পাশে বাঁশঝাড়ের নিচ থেকে শিশু রাজিয়ার লাশ উদ্ধার করেছিল পুলিশ। রাজিয়া ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল এবং বিকেলবেলা বাড়ির পাশের একটি জমিতে রসুনক্ষেত দেখতে বের হওয়ার পর থেকে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরে তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

মামলার রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে নিহত রাজিয়ার মা ছবিরন নেছা এই মৃত্যুদণ্ডের রায় দ্রুত কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন। রাষ্ট্রপক্ষে পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন এবং আসামিপক্ষে অ্যাডভোকেট মনির হোসেন বাবলু মামলাটি পরিচালনা করেন।