ঢাকা ০৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের আবহে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুদের হার বৃদ্ধি নিয়ে সংশয়

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ায় জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক (ইসিবি) নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে, চলতি সপ্তাহে ব্যাংকটি সুদের হার বাড়াবে কিনা, তা নিয়ে নীতিনির্ধারকদের মধ্যে আলোচনা চলছে।

সংঘাতের কারণে ইউরোজোনে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পাওয়ায় গত জুনে ইসিবি ২০২৩ সালের পর প্রথমবারের মতো ঋণের সুদের হার বাড়িয়েছিল। ওয়াশিংটন ও তেহরান যুদ্ধের অবসানের লক্ষ্যে একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর পর মূল্যস্ফীতি ইসিবির দুই শতাংশ লক্ষ্যমাত্রার দিকে নামতে শুরু করেছিল, ফলে বৃহস্পতিবারের বৈঠকে সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার সম্ভাবনাই বেশি ছিল। তবে, দুই পক্ষের মধ্যে পুনরায় সংঘর্ষ শুরু হওয়ায় ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা করেছে, যা তেলের দাম আবার বাড়াতে শুরু করেছে।

অধিকাংশ বিশ্লেষকের ধারণা, নীতিনির্ধারকেরা এবারও মূল সুদের হার ২ দশমিক ২৫ শতাংশে অপরিবর্তিত রাখবেন। বেরেনবার্গ ব্যাংকের জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ ফেলিক্স শ্মিড্ট এএফপিকে বলেন, ‘এ বৈঠকে সুদের হারে কোনো পরিবর্তনের প্রত্যাশা করছি না।’ তিনি আরও বলেন, তেলের দাম খুব বেশি বাড়েনি এবং ইউরোজোনে এর বড় ধরনের প্রভাবও এখনো দেখা যায়নি। আইএনজির অর্থনীতিবিদ কার্স্টেন ব্রজেস্কি বলেন, ইসিবি সুদের হার বাড়াতে পারে এমন ‘সামান্য সম্ভাবনা’ রয়েছে, তবে হার অপরিবর্তিত রাখাই এখনো সবচেয়ে সম্ভাব্য সিদ্ধান্ত। পরিবর্তিত পরিস্থিতি ইসিবির সুদের হার বাড়ানোর পক্ষে থাকা ‘হকস’ এবং নমনীয় নীতির পক্ষে থাকা ‘ডাভস’-দের মধ্যে উত্তপ্ত আলোচনা তৈরি করতে পারে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদি আরবে হুতিদের নৌ অবরোধের ঘোষণা: বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের আবহে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুদের হার বৃদ্ধি নিয়ে সংশয়

আপডেট সময় : ০৩:৪২:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ায় জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক (ইসিবি) নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে, চলতি সপ্তাহে ব্যাংকটি সুদের হার বাড়াবে কিনা, তা নিয়ে নীতিনির্ধারকদের মধ্যে আলোচনা চলছে।

সংঘাতের কারণে ইউরোজোনে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পাওয়ায় গত জুনে ইসিবি ২০২৩ সালের পর প্রথমবারের মতো ঋণের সুদের হার বাড়িয়েছিল। ওয়াশিংটন ও তেহরান যুদ্ধের অবসানের লক্ষ্যে একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর পর মূল্যস্ফীতি ইসিবির দুই শতাংশ লক্ষ্যমাত্রার দিকে নামতে শুরু করেছিল, ফলে বৃহস্পতিবারের বৈঠকে সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার সম্ভাবনাই বেশি ছিল। তবে, দুই পক্ষের মধ্যে পুনরায় সংঘর্ষ শুরু হওয়ায় ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা করেছে, যা তেলের দাম আবার বাড়াতে শুরু করেছে।

অধিকাংশ বিশ্লেষকের ধারণা, নীতিনির্ধারকেরা এবারও মূল সুদের হার ২ দশমিক ২৫ শতাংশে অপরিবর্তিত রাখবেন। বেরেনবার্গ ব্যাংকের জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ ফেলিক্স শ্মিড্ট এএফপিকে বলেন, ‘এ বৈঠকে সুদের হারে কোনো পরিবর্তনের প্রত্যাশা করছি না।’ তিনি আরও বলেন, তেলের দাম খুব বেশি বাড়েনি এবং ইউরোজোনে এর বড় ধরনের প্রভাবও এখনো দেখা যায়নি। আইএনজির অর্থনীতিবিদ কার্স্টেন ব্রজেস্কি বলেন, ইসিবি সুদের হার বাড়াতে পারে এমন ‘সামান্য সম্ভাবনা’ রয়েছে, তবে হার অপরিবর্তিত রাখাই এখনো সবচেয়ে সম্ভাব্য সিদ্ধান্ত। পরিবর্তিত পরিস্থিতি ইসিবির সুদের হার বাড়ানোর পক্ষে থাকা ‘হকস’ এবং নমনীয় নীতির পক্ষে থাকা ‘ডাভস’-দের মধ্যে উত্তপ্ত আলোচনা তৈরি করতে পারে।