খুলনার ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রয়োজনীয় জনবল ও ওষুধের তীব্র সংকটে চিকিৎসাসেবা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। হাসপাতালটি ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় এবং সম্প্রতি ১০০ শয্যায় উন্নীত করার গেজেট প্রকাশিত হলেও বাস্তবে নাগরিকরা কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ২২ জন চিকিৎসকের পদের বিপরীতে বর্তমানে মাত্র ১৭ জন কর্মরত থাকলেও তাদের অনেকেই নিয়মিত হাসপাতালে উপস্থিত থাকেন না বলে অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা সপ্তাহের অধিকাংশ সময় জেলা শহরে রোগী দেখায় ব্যস্ত থাকেন।
হাসপাতালটিতে আধুনিক অপারেশন থিয়েটার থাকলেও দক্ষ জনবলের অভাবে কোনো অস্ত্রোপচার হয় না। রেডিওগ্রাফারের অভাবে এক্স-রে মেশিনটি অকেজো হয়ে পড়ে আছে। এছাড়া সরকারি ওষুধের তীব্র সংকটের কারণে রোগীদের বাইরে থেকে চড়া মূল্যে ওষুধ কিনতে হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, হাসপাতালের চিকিৎসকরা রোগীদের সরকারি ল্যাবে পরীক্ষা না করিয়ে কমিশন বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট বেসরকারি ক্লিনিকে পাঠান।
হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, জেনারেটর থাকা সত্ত্বেও বিদ্যুৎ চলে গেলে রোগীদের মোমবাতি জ্বালিয়ে অন্ধকার দূর করতে হয়। খাবারের মান নিয়ে রোগীদের বিস্তর অভিযোগ থাকলেও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার দায় নিতে নারাজ। ভৌগোলিক কারণে পার্শ্ববর্তী যশোর ও খুলনার কয়েকটি উপজেলার মানুষ এখানে সেবা নিতে এলেও সাধারণ জ্বর-সর্দির বাইরে উন্নত কোনো চিকিৎসা মিলছে না। গুরুতর রোগীদের সামান্য প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েই খুলনা মেডিকেল কলেজে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 

























