ঢাকা ০২:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

হাটহাজারীতে আনন্দবাজার সেতুর কাজ শেষ হয়নি দুই বছরেও, ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৫:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার গড়দুয়ারা ও মেখল ইউনিয়নবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে আনন্দবাজার সেতু নির্মাণকাজের ধীরগতি। এক দফা সময় বাড়িয়েও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেতুর কাজ সম্পন্ন করতে পারেনি। সেতুটি নির্মিত না হওয়ায়, আশপাশের দুই ইউনিয়নের প্রায় কয়েক হাজার মানুষ, বিশেষ করে শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সেতুর পিলারের নির্মাণ কাজ শেষ হলেও একটি স্প্যান করার জন্য লোহা বসানো হয়েছে এবং স্প্যানের কাজ অত্যন্ত ধীরগতিতে চলছে। বর্ষার কারণে নদীতে পানি বাড়তে শুরু করায়, খালের ওপর নির্মিত ছোট বাঁশের সাঁকো দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শিক্ষার্থীসহ স্থানীয়রা পারাপার হচ্ছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, তিন বছর আগে কাজ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও এখনো তা শেষ হয়নি। উপজেলা সদর, ইউনিয়ন পরিষদ ও হাসপাতালের যাতায়াতের এটি প্রধান পথ হওয়ায় দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।

হাটহাজারী উপজেলা প্রকৌশল (এলজিইডি) কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২১ মিটার দীর্ঘ ও ২৪ মিটার চওড়া আনন্দবাজার সেতুটি নির্মাণে ৩ কোটি ১৬ লাখ ৬৭ হাজার ৫৩৫ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। মাজেদ এন্টারপ্রাইজ নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ২০২৩ সালের ১০ অক্টোবর কাজ শুরু করে এবং ২০২৪ সালের ১৪ অক্টোবর কাজ শেষ করার চুক্তিবদ্ধ ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্প, মৃতের সংখ্যা ৫ হাজার ২৭৮; আহত ১৬ হাজারেরও বেশি

হাটহাজারীতে আনন্দবাজার সেতুর কাজ শেষ হয়নি দুই বছরেও, ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ

আপডেট সময় : ০৪:৫৫:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার গড়দুয়ারা ও মেখল ইউনিয়নবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে আনন্দবাজার সেতু নির্মাণকাজের ধীরগতি। এক দফা সময় বাড়িয়েও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেতুর কাজ সম্পন্ন করতে পারেনি। সেতুটি নির্মিত না হওয়ায়, আশপাশের দুই ইউনিয়নের প্রায় কয়েক হাজার মানুষ, বিশেষ করে শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সেতুর পিলারের নির্মাণ কাজ শেষ হলেও একটি স্প্যান করার জন্য লোহা বসানো হয়েছে এবং স্প্যানের কাজ অত্যন্ত ধীরগতিতে চলছে। বর্ষার কারণে নদীতে পানি বাড়তে শুরু করায়, খালের ওপর নির্মিত ছোট বাঁশের সাঁকো দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শিক্ষার্থীসহ স্থানীয়রা পারাপার হচ্ছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, তিন বছর আগে কাজ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও এখনো তা শেষ হয়নি। উপজেলা সদর, ইউনিয়ন পরিষদ ও হাসপাতালের যাতায়াতের এটি প্রধান পথ হওয়ায় দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।

হাটহাজারী উপজেলা প্রকৌশল (এলজিইডি) কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২১ মিটার দীর্ঘ ও ২৪ মিটার চওড়া আনন্দবাজার সেতুটি নির্মাণে ৩ কোটি ১৬ লাখ ৬৭ হাজার ৫৩৫ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। মাজেদ এন্টারপ্রাইজ নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ২০২৩ সালের ১০ অক্টোবর কাজ শুরু করে এবং ২০২৪ সালের ১৪ অক্টোবর কাজ শেষ করার চুক্তিবদ্ধ ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।