যুগপৎ আন্দোলনের মিত্র রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে এবং রাষ্ট্র সংস্কারের রূপরেখা নিয়ে আলোচনা করতে এক বিশেষ নৈশভোজে মিলিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকার গঠনের পাঁচ মাস পর আয়োজিত এই বৈঠককে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সোমবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের স্বৈরশাসনবিরোধী আন্দোলনে যারা রাজপথে ছিলেন, তাদের সঙ্গে নিয়ে একটি আধুনিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার কাজ চলছে। তিনি জুলাই বিপ্লবের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়েই আজ দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জনগণের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করছে উল্লেখ করে তিনি কৃষি ঋণ মওকুফ, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী শক্তিশালী করার পদক্ষেপগুলো তুলে ধরেন।
রাষ্ট্র সংস্কারের বিষয়ে বিএনপি মহাসচিব স্পষ্ট করে বলেন, আন্দোলনের সময় ঘোষিত ৩১ দফা এবং সব দলের সম্মতিতে তৈরি ‘জুলাই সনদ’ পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত রাষ্ট্রীয় ও অর্থনৈতিক কাঠামোকে পুনর্গঠন করা সময়সাপেক্ষ হলেও সরকার সঠিক পথেই এগোচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন। জাতীয় ঐক্য বজায় রেখে সব সংস্কার কার্যক্রম সম্পন্ন করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
রিপোর্টারের নাম 






















