ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে কিশোর জিহাদ হত্যা মামলার আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করেছেন এলাকাবাসী। এই অবরোধের ফলে মহাসড়কের উভয় পাশে কয়েক কিলোমিটারজুড়ে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে এবং হাজার হাজার যাত্রী চরম দুর্ভোগের শিকার হয়েছেন।
রবিবার সকাল ১০টার দিকে ‘কুট্টাপাড়াবাসী’ ব্যানারে সরাইল উপজেলার কুট্টাপাড়া এলাকায় কয়েক হাজার মানুষের অংশগ্রহণে এক বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অবস্থান নিলে যান চলাচল সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে যায়। বিক্ষোভকারীরা ‘জিহাদের হত্যাকারীরা বাইরে কেন’, ‘খুনিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে’ এবং ‘হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই’—এমন নানা স্লোগান দেন। তাদের অভিযোগ, হত্যাকাণ্ডের কয়েক দিন অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত কোনো আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে।
বিক্ষোভকারীদের দাবি, জিহাদ হত্যা মামলার আসামিদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করে সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান করতে হবে। মহাসড়ক অবরোধের ফলে ঢাকা, সিলেট, কুমিল্লা ও চট্টগ্রামগামী দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, পণ্যবাহী যান এবং স্থানীয় পরিবহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে সড়কের দুই পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে এবং যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছায়।
এ বিষয়ে হাইওয়ে থানার ওসি জানিয়েছেন, হাইওয়ে থানা, সরাইল থানা এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছেন। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং আশা করা হচ্ছে, অল্প সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে ও যান চলাচল শুরু হবে। উল্লেখ্য, গত ১০ জুলাই রাতে কুট্টাপাড়া হাইওয়ে থানার পূর্ব পাশের সেতুর কাছে কুট্টাপাড়া গ্রামের জিহাদ (১৭) নামে এক কিশোরকে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়ের হলেও এখন পর্যন্ত কোনো আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় এলাকাবাসী ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছেন এবং মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করছেন।
রিপোর্টারের নাম 
























