বিশ্বজুড়ে সুইস ব্যাংকে আমানতকারীর সংখ্যা কমলেও, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে চিত্রটি সম্পূর্ণ বিপরীত। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চাপে এবং অর্থ পাচার রোধে অন্তর্বর্তী সরকার বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সহায়তা নিলেও, গত এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমার পরিমাণ ৪১ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকায়। এই বিশাল অঙ্কের অর্থ কীভাবে আইনি নজরদারি এড়িয়ে বিদেশে পাচার হলো, তা নিয়ে জনমনে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সুইস ব্যাংকের প্রতি এই আকর্ষণের পেছনে রয়েছে কঠোর গোপনীয়তা, রাজনৈতিক অস্থিরতায় সম্পদ বাজেয়াপ্ত হওয়ার ভয় এবং সুইজারল্যান্ডের স্থিতিশীল মুদ্রা ব্যবস্থা। সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে বাংলাদেশের তথ্য বিনিময় চুক্তি না থাকায় পাচার হওয়া অর্থের উৎস ও মালিকানা শনাক্ত করা অত্যন্ত জটিল হয়ে পড়েছে। এছাড়া আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এবং আইনি প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতার কারণে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনার পথ এখনো সুগম হয়নি। পাচার রোধে কেবল কঠোর আইন নয়, বরং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক তথ্য বিনিময় চুক্তির কোনো বিকল্প নেই।
রিপোর্টারের নাম 























