ঢাকা ০১:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

বন্যার তাণ্ডবের মাঝেও চট্টগ্রামে জন্ম নিল ৩৬৫ নবজাতক

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২০:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

টানা বর্ষণ ও ভয়াবহ বন্যায় যখন চট্টগ্রাম অচল, জনজীবন বিপর্যস্ত—ঠিক সেই চরম দুর্যোগের সময়েও থেমে থাকেনি নতুন প্রাণের স্পন্দন। গত চার থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত মাত্র ১০ দিনে জেলার ১৪টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩৬৫ জন নবজাতক পৃথিবীর আলো দেখেছে। সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এর মধ্যে ৩৫৪টি স্বাভাবিক প্রসব ও ১১টি সিজারিয়ান সম্পন্ন হয়েছে।

বন্যার পানির তোড় আর যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার মতো প্রতিকূলতাকে জয় করে জীবনের এই জয়গান গাইতে হয়েছে অনেক পরিবারকে। লোহাগাড়া ও বাঁশখালীর মতো দুর্গম এলাকাগুলোতে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় গলাসমান পানি পেরিয়ে অন্তঃসত্ত্বা নারীদের হাসপাতালে নেওয়ার ঘটনাগুলো ছিল রীতিমতো লড়াইয়ের সমান। দুর্যোগের এই কঠিন সময়ে প্রতিটি নবজাতকের সুস্থ জন্ম যেন এক একটি আশার গল্প হয়ে উঠেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মক্কার ইকরাম প্রদর্শনীতে ১০০০ বছরের পুরোনো দুর্লভ কোরআন পান্ডুলিপি

বন্যার তাণ্ডবের মাঝেও চট্টগ্রামে জন্ম নিল ৩৬৫ নবজাতক

আপডেট সময় : ১১:২০:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

টানা বর্ষণ ও ভয়াবহ বন্যায় যখন চট্টগ্রাম অচল, জনজীবন বিপর্যস্ত—ঠিক সেই চরম দুর্যোগের সময়েও থেমে থাকেনি নতুন প্রাণের স্পন্দন। গত চার থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত মাত্র ১০ দিনে জেলার ১৪টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩৬৫ জন নবজাতক পৃথিবীর আলো দেখেছে। সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এর মধ্যে ৩৫৪টি স্বাভাবিক প্রসব ও ১১টি সিজারিয়ান সম্পন্ন হয়েছে।

বন্যার পানির তোড় আর যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার মতো প্রতিকূলতাকে জয় করে জীবনের এই জয়গান গাইতে হয়েছে অনেক পরিবারকে। লোহাগাড়া ও বাঁশখালীর মতো দুর্গম এলাকাগুলোতে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় গলাসমান পানি পেরিয়ে অন্তঃসত্ত্বা নারীদের হাসপাতালে নেওয়ার ঘটনাগুলো ছিল রীতিমতো লড়াইয়ের সমান। দুর্যোগের এই কঠিন সময়ে প্রতিটি নবজাতকের সুস্থ জন্ম যেন এক একটি আশার গল্প হয়ে উঠেছে।