ঢাকা ০৫:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

বাঁশখালীতে শঙ্খ নদীর তীব্র ভাঙন: মুহূর্তেই বিলীন ৪ বসতঘর

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার পুকুরিয়া ইউনিয়নের তেচ্ছি পাড়ায় শঙ্খ নদীর ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। বুধবার সকালের দিকে নদীর তীব্র স্রোতে নুরুল কবির, রুহুল কবির, আজিজুল হক ও রশিদ আহমদের চারটি বসতঘর মুহূর্তের মধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। আকস্মিক এই ভাঙনে সহায়-সম্বল হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে দাঁড়িয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে নদীর গভীরতা ও স্রোতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় এই ভাঙন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ভাঙনকবলিত এলাকার বাসিন্দারা চরম আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন। স্থানীয় ইউপি সদস্য ফরিদ আহমেদ সতর্ক করে বলেছেন, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে আরও অন্তত ৩০টি পরিবারের বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন এবং ভাঙন রোধে জরুরি ভিত্তিতে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও ভুক্তভোগীরা। পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ ভাঙন রোধে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পরীক্ষার্থীদের ৬ দফা দাবি: সচিবালয়ের সামনে উত্তাল পরিস্থিতি

বাঁশখালীতে শঙ্খ নদীর তীব্র ভাঙন: মুহূর্তেই বিলীন ৪ বসতঘর

আপডেট সময় : ০৪:২৩:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার পুকুরিয়া ইউনিয়নের তেচ্ছি পাড়ায় শঙ্খ নদীর ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। বুধবার সকালের দিকে নদীর তীব্র স্রোতে নুরুল কবির, রুহুল কবির, আজিজুল হক ও রশিদ আহমদের চারটি বসতঘর মুহূর্তের মধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। আকস্মিক এই ভাঙনে সহায়-সম্বল হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে দাঁড়িয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে নদীর গভীরতা ও স্রোতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় এই ভাঙন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ভাঙনকবলিত এলাকার বাসিন্দারা চরম আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন। স্থানীয় ইউপি সদস্য ফরিদ আহমেদ সতর্ক করে বলেছেন, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে আরও অন্তত ৩০টি পরিবারের বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন এবং ভাঙন রোধে জরুরি ভিত্তিতে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও ভুক্তভোগীরা। পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ ভাঙন রোধে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছে।