ঢাকা ১০:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

লোকসানের ঝুঁকি সত্ত্বেও আলু চাষে আগ্রহী বগুড়ার কৃষকরা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০১:০৮:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৯ বার পড়া হয়েছে

বগুড়ার হিমাগারগুলোতে এখনও বিপুল পরিমাণ আলু মজুদ রয়েছে, যা বাজারে কম দামের কারণে কৃষকদের জন্য লোকসানের আশঙ্কা তৈরি করছে। তবু কৃষকরা নতুন মৌসুমে আলু চাষে নেমেছেন। ধান কাটার পর জমি প্রস্তুত করে অক্টোবরের শেষ থেকেই আগাম জাতের বীজ বপন শুরু হয়েছে।

গত মৌসুমে বগুড়ায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ২ লাখ মেট্রিক টন বেশি আলু উৎপাদন হয়েছিল। কিন্তু দাম না পাওয়ায় হিমাগারে আলুর বড় অংশ জমে রয়েছে, যা নতুন আলুর দামে প্রভাব ফেলছে। বর্তমানে খোলা বাজারে আলু কেজিপ্রতি ১৮–২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যেখানে সংরক্ষণসহ খরচ কেজিপ্রতি ২৪–২৬ টাকা পড়েছিল।

বগুড়ায় মোট ৪৮ জাতের আলুর চাষ হয়। এর মধ্যে উচ্চফলনশীল ‘এস্টারিক্স’ জাতই সবচেয়ে জনপ্রিয়। চলতি মৌসুমে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৫ হাজার ৭৫০ হেক্টর জমিতে আবাদ ও ১৩ লাখ ৩৫ হাজার টনের বেশি উৎপাদন। তবে হিমাগারে আগের বছরের আলু থাকায় কৃষকরা লাভের চেয়ে লোকসানের আশঙ্কা করছেন বেশি।

কৃষকরা খরচ ও উৎপাদন ঝুঁকি সত্ত্বেও আশাবাদী। বগুড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের কর্মকর্তারা বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে বাম্পার ফলন হবে এবং কৃষকেরা ভালো দাম পাবেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতিরিক্ত উৎপাদন ও বাজার ব্যবস্থাপনার সংকটের কারণে গত বছর ক্ষতি হলেও এইবার কৃষকের ভবিষ্যৎ লাভ-লোকসান নতুন মৌসুমের বাজারের উপর নির্ভর করছে।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

Mahbub

জনপ্রিয় সংবাদ

শচীনকে ছাড়িয়ে কোহলির বিশ্বরেকর্ড, কিউইদের হারিয়ে শুভসূচনা ভারতের

লোকসানের ঝুঁকি সত্ত্বেও আলু চাষে আগ্রহী বগুড়ার কৃষকরা

আপডেট সময় : ০১:০৮:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

বগুড়ার হিমাগারগুলোতে এখনও বিপুল পরিমাণ আলু মজুদ রয়েছে, যা বাজারে কম দামের কারণে কৃষকদের জন্য লোকসানের আশঙ্কা তৈরি করছে। তবু কৃষকরা নতুন মৌসুমে আলু চাষে নেমেছেন। ধান কাটার পর জমি প্রস্তুত করে অক্টোবরের শেষ থেকেই আগাম জাতের বীজ বপন শুরু হয়েছে।

গত মৌসুমে বগুড়ায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ২ লাখ মেট্রিক টন বেশি আলু উৎপাদন হয়েছিল। কিন্তু দাম না পাওয়ায় হিমাগারে আলুর বড় অংশ জমে রয়েছে, যা নতুন আলুর দামে প্রভাব ফেলছে। বর্তমানে খোলা বাজারে আলু কেজিপ্রতি ১৮–২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যেখানে সংরক্ষণসহ খরচ কেজিপ্রতি ২৪–২৬ টাকা পড়েছিল।

বগুড়ায় মোট ৪৮ জাতের আলুর চাষ হয়। এর মধ্যে উচ্চফলনশীল ‘এস্টারিক্স’ জাতই সবচেয়ে জনপ্রিয়। চলতি মৌসুমে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৫ হাজার ৭৫০ হেক্টর জমিতে আবাদ ও ১৩ লাখ ৩৫ হাজার টনের বেশি উৎপাদন। তবে হিমাগারে আগের বছরের আলু থাকায় কৃষকরা লাভের চেয়ে লোকসানের আশঙ্কা করছেন বেশি।

কৃষকরা খরচ ও উৎপাদন ঝুঁকি সত্ত্বেও আশাবাদী। বগুড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের কর্মকর্তারা বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে বাম্পার ফলন হবে এবং কৃষকেরা ভালো দাম পাবেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতিরিক্ত উৎপাদন ও বাজার ব্যবস্থাপনার সংকটের কারণে গত বছর ক্ষতি হলেও এইবার কৃষকের ভবিষ্যৎ লাভ-লোকসান নতুন মৌসুমের বাজারের উপর নির্ভর করছে।