ঢাকা ০৭:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

করলার বাজারে ভয়াবহ ধস: লোকসান সইতে না পেরে রাস্তায় সবজি ফেলছেন কৃষকরা

রাজশাহীর দুর্গাপুরে করলার দামে চরম ধস নামায় দিশাহারা হয়ে পড়েছেন স্থানীয় চাষিরা। উৎপাদন খরচের তুলনায় বাজারমূল্য কয়েক গুণ কমে যাওয়ায় অনেক কৃষক ক্ষোভে ও দুঃখে তাদের কষ্টার্জিত ফসল বাজারেই ফেলে দিচ্ছেন। মাঠভরা ফলন থাকলেও কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ায় করলা চাষিদের মধ্যে এখন হাহাকার বিরাজ করছে।

স্থানীয় কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, প্রতি বিঘা জমিতে করলা চাষ করতে তাদের খরচ হয়েছে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা। অথচ বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি করলা মাত্র আড়াই থেকে পাঁচ টাকা দরে বিক্রি করতে হচ্ছে। এই নামমাত্র মূল্যে সবজি বিক্রি করে বিনিয়োগের এক-চতুর্থাংশ টাকাও ঘরে তোলা সম্ভব হচ্ছে না। লোকসান সইতে না পেরে অনেকে ফলন্ত গাছ কেটে ফেলছেন, আবার কেউ কেউ হাটে বিক্রি করতে না পেরে করলা রাস্তার পাশে ফেলে দিয়ে শূন্য হাতে বাড়ি ফিরছেন।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, দুর্গাপুর এলাকা সবজি চাষের জন্য সুপরিচিত এবং এ মৌসুমে উপজেলায় ১৭৮ হেক্টর জমিতে করলার আবাদ হয়েছে। মৌসুমের শুরুতে কৃষকরা ভালো দাম পেলেও বর্তমানে বাজারে সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় এবং পাইকারি ক্রেতার অভাবে এই সংকট তৈরি হয়েছে। কৃষকদের দাবি, সার ও ওষুধের চড়া দামের বিপরীতে ফসলের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় তারা এখন ঋণের চাপে পিষ্ট হচ্ছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রের হামলাকে জাতিসংঘ সনদের লঙ্ঘন বলে অভিহিত করল ইরান

করলার বাজারে ভয়াবহ ধস: লোকসান সইতে না পেরে রাস্তায় সবজি ফেলছেন কৃষকরা

আপডেট সময় : ০৬:১৪:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

রাজশাহীর দুর্গাপুরে করলার দামে চরম ধস নামায় দিশাহারা হয়ে পড়েছেন স্থানীয় চাষিরা। উৎপাদন খরচের তুলনায় বাজারমূল্য কয়েক গুণ কমে যাওয়ায় অনেক কৃষক ক্ষোভে ও দুঃখে তাদের কষ্টার্জিত ফসল বাজারেই ফেলে দিচ্ছেন। মাঠভরা ফলন থাকলেও কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ায় করলা চাষিদের মধ্যে এখন হাহাকার বিরাজ করছে।

স্থানীয় কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, প্রতি বিঘা জমিতে করলা চাষ করতে তাদের খরচ হয়েছে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা। অথচ বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি করলা মাত্র আড়াই থেকে পাঁচ টাকা দরে বিক্রি করতে হচ্ছে। এই নামমাত্র মূল্যে সবজি বিক্রি করে বিনিয়োগের এক-চতুর্থাংশ টাকাও ঘরে তোলা সম্ভব হচ্ছে না। লোকসান সইতে না পেরে অনেকে ফলন্ত গাছ কেটে ফেলছেন, আবার কেউ কেউ হাটে বিক্রি করতে না পেরে করলা রাস্তার পাশে ফেলে দিয়ে শূন্য হাতে বাড়ি ফিরছেন।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, দুর্গাপুর এলাকা সবজি চাষের জন্য সুপরিচিত এবং এ মৌসুমে উপজেলায় ১৭৮ হেক্টর জমিতে করলার আবাদ হয়েছে। মৌসুমের শুরুতে কৃষকরা ভালো দাম পেলেও বর্তমানে বাজারে সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় এবং পাইকারি ক্রেতার অভাবে এই সংকট তৈরি হয়েছে। কৃষকদের দাবি, সার ও ওষুধের চড়া দামের বিপরীতে ফসলের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় তারা এখন ঋণের চাপে পিষ্ট হচ্ছেন।