ঢাকা ০৭:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

ইরানের কর্মকর্তাদের ওপর হামলায় ‘কঠোর ও চূড়ান্ত’ জবাব নিশ্চিত করতে নতুন আইনের প্রস্তাব

ইরানের শীর্ষ সামরিক ও রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তাদের ওপর যেকোনো ধরনের হামলা বা গুপ্তহত্যার চেষ্টার বিরুদ্ধে ‘কঠোর ও চূড়ান্ত’ প্রতিক্রিয়া নিশ্চিত করতে বিশেষ আইন প্রণয়নের আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদি। তিনি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরানের স্বার্থের বিরুদ্ধে নেওয়া কোনো পদক্ষেপই এখন থেকে জবাবহীন থাকবে না।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় গরিবাবাদি জানান, ইরানের পার্লামেন্ট বা এক্সপিডিয়েন্সি কাউন্সিলের উচিত এমন একটি আইনি কাঠামো তৈরি করা, যা দেশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের ওপর হামলার ক্ষেত্রে কী ধরনের সামরিক বা কূটনৈতিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা আগে থেকেই নির্ধারণ করে দেবে। তার মতে, হামলার পর তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেয়ে প্রতিক্রিয়ার বিষয়টি আইনিভাবে নির্ধারিত থাকা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য জরুরি।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এই উদ্যোগ ইরানের বিদ্যমান প্রতিরক্ষা নীতিরই একটি ধারাবাহিকতা, যেখানে যেকোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে এবং শত্রুপক্ষকে সতর্ক করতেই তেহরান এমন কঠোর আইনের পথে হাঁটতে চাইছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রের হামলাকে জাতিসংঘ সনদের লঙ্ঘন বলে অভিহিত করল ইরান

ইরানের কর্মকর্তাদের ওপর হামলায় ‘কঠোর ও চূড়ান্ত’ জবাব নিশ্চিত করতে নতুন আইনের প্রস্তাব

আপডেট সময় : ০৬:১৫:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

ইরানের শীর্ষ সামরিক ও রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তাদের ওপর যেকোনো ধরনের হামলা বা গুপ্তহত্যার চেষ্টার বিরুদ্ধে ‘কঠোর ও চূড়ান্ত’ প্রতিক্রিয়া নিশ্চিত করতে বিশেষ আইন প্রণয়নের আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদি। তিনি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরানের স্বার্থের বিরুদ্ধে নেওয়া কোনো পদক্ষেপই এখন থেকে জবাবহীন থাকবে না।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় গরিবাবাদি জানান, ইরানের পার্লামেন্ট বা এক্সপিডিয়েন্সি কাউন্সিলের উচিত এমন একটি আইনি কাঠামো তৈরি করা, যা দেশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের ওপর হামলার ক্ষেত্রে কী ধরনের সামরিক বা কূটনৈতিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা আগে থেকেই নির্ধারণ করে দেবে। তার মতে, হামলার পর তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেয়ে প্রতিক্রিয়ার বিষয়টি আইনিভাবে নির্ধারিত থাকা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য জরুরি।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এই উদ্যোগ ইরানের বিদ্যমান প্রতিরক্ষা নীতিরই একটি ধারাবাহিকতা, যেখানে যেকোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে এবং শত্রুপক্ষকে সতর্ক করতেই তেহরান এমন কঠোর আইনের পথে হাঁটতে চাইছে।