ঢাকা ০১:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

চকরিয়ায় বন্যার স্রোতে ভেসে নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

কক্সবাজারের চকরিয়ায় বন্যার পানিতে ডুবে হাফেজ আতা উল্লাহ (২০) নামের এক যুবক প্রাণ হারিয়েছেন। রোববার বিকেলে উপজেলার ফতেহ আলী সিকদার পাড়া এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আতা উল্লাহ ওই এলাকার মৌলভী নেচার আহামদের ছেলে এবং স্থানীয় শান্তির বাজার এলাকার একজন ব্যবসায়ী ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার সময় আকস্মিক বন্যার প্রবল স্রোতে ভেসে গিয়ে নিখোঁজ হন আতা উল্লাহ। দীর্ঘক্ষণ নিখোঁজ থাকার পর স্থানীয় বাসিন্দারা তল্লাশি চালিয়ে তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করেন। দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য মোহাম্মদ নাসিম হেজাজী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে খবর পেয়ে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহীন দেলোয়ার নিহতের পরিবারকে সমবেদনা জানান। তিনি দাফন-কাফন ও আনুষঙ্গিক খরচের জন্য পরিবারের হাতে ২৫ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা এবং শুকনো খাবারের প্যাকেট তুলে দেন। বন্যায় এমন অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে টানা তৃতীয় বছরের মতো জনপ্রিয়তার শীর্ষে ‘মুহাম্মদ’ নাম

চকরিয়ায় বন্যার স্রোতে ভেসে নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় : ১০:৫৩:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

কক্সবাজারের চকরিয়ায় বন্যার পানিতে ডুবে হাফেজ আতা উল্লাহ (২০) নামের এক যুবক প্রাণ হারিয়েছেন। রোববার বিকেলে উপজেলার ফতেহ আলী সিকদার পাড়া এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আতা উল্লাহ ওই এলাকার মৌলভী নেচার আহামদের ছেলে এবং স্থানীয় শান্তির বাজার এলাকার একজন ব্যবসায়ী ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার সময় আকস্মিক বন্যার প্রবল স্রোতে ভেসে গিয়ে নিখোঁজ হন আতা উল্লাহ। দীর্ঘক্ষণ নিখোঁজ থাকার পর স্থানীয় বাসিন্দারা তল্লাশি চালিয়ে তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করেন। দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য মোহাম্মদ নাসিম হেজাজী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে খবর পেয়ে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহীন দেলোয়ার নিহতের পরিবারকে সমবেদনা জানান। তিনি দাফন-কাফন ও আনুষঙ্গিক খরচের জন্য পরিবারের হাতে ২৫ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা এবং শুকনো খাবারের প্যাকেট তুলে দেন। বন্যায় এমন অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।