ঢাকা ০৩:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

পাহাড় কাটা ও মাটির বাণিজ্যে বিপর্যস্ত দক্ষিণ চট্টগ্রাম, বন্যার কবলে ৩ লাখ মানুষ

দক্ষিণ চট্টগ্রামের সাতকানিয়া ও লোহাগাড়ায় ভয়াবহ বন্যার জন্য কেবল অতিবৃষ্টি নয়, বরং নির্বিচারে পাহাড় কাটা ও অবৈধ মাটির ব্যবসাকেই দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা। দীর্ঘ দুই দশক ধরে চলা পরিবেশ বিধ্বংসী কর্মকাণ্ডের ফলে আজ কয়েক লাখ মানুষকে পানিবন্দি জীবন কাটাতে হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে রাতের আঁধারে ডাম্পার ট্রাক ও এক্সকাভেটর দিয়ে পাহাড়ের মাটি কেটে সাবাড় করা হচ্ছে, যার চড়া মূল্য দিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

টানা বর্ষণে সাঙ্গু ও ডলু নদীর বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয়েছে বিস্তীর্ণ জনপদ। ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তলিয়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন বাসিন্দারা। বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় অনেক এলাকা কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে আছে। পরিবেশবিদদের মতে, অপরিকল্পিত উন্নয়ন এবং জলাশয় ভরাট করার কারণেই পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে এই কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছে। দ্রুত পাহাড় কাটা বন্ধ না করলে ভবিষ্যতে এই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদারীপুরে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত: শ্রেষ্ঠ কর্মীদের সম্মাননা প্রদান

পাহাড় কাটা ও মাটির বাণিজ্যে বিপর্যস্ত দক্ষিণ চট্টগ্রাম, বন্যার কবলে ৩ লাখ মানুষ

আপডেট সময় : ০১:৪৬:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

দক্ষিণ চট্টগ্রামের সাতকানিয়া ও লোহাগাড়ায় ভয়াবহ বন্যার জন্য কেবল অতিবৃষ্টি নয়, বরং নির্বিচারে পাহাড় কাটা ও অবৈধ মাটির ব্যবসাকেই দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা। দীর্ঘ দুই দশক ধরে চলা পরিবেশ বিধ্বংসী কর্মকাণ্ডের ফলে আজ কয়েক লাখ মানুষকে পানিবন্দি জীবন কাটাতে হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে রাতের আঁধারে ডাম্পার ট্রাক ও এক্সকাভেটর দিয়ে পাহাড়ের মাটি কেটে সাবাড় করা হচ্ছে, যার চড়া মূল্য দিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

টানা বর্ষণে সাঙ্গু ও ডলু নদীর বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয়েছে বিস্তীর্ণ জনপদ। ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তলিয়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন বাসিন্দারা। বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় অনেক এলাকা কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে আছে। পরিবেশবিদদের মতে, অপরিকল্পিত উন্নয়ন এবং জলাশয় ভরাট করার কারণেই পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে এই কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছে। দ্রুত পাহাড় কাটা বন্ধ না করলে ভবিষ্যতে এই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।