ঢাকা ১১:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

কুমিল্লার মুরাদনগরে ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, পলাতক অভিযুক্ত আজহার

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানা এলাকায় ১০ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত আজহার মিয়া উপজেলার আকুবপুর ইউনিয়নের মেটংঘর গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১ জুলাই বিকেলে আজহার মিয়া ওই শিশুকে কৌশলে নিজের পোলট্রি খামারের পাশে একটি টিনশেড ঘরে নিয়ে যান এবং সেখানে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। শিশুর চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে আজহার পালিয়ে যান। পরে শিশুটি পরিবারের কাছে ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দেয়। ঘটনার পর স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে ভুক্তভোগীর বাবা থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।

অভিযুক্ত আজহার মিয়ার রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের কেউ কেউ তাকে জামায়াত সংশ্লিষ্ট বললেও জেলা জামায়াত তা অস্বীকার করেছে। অন্যদিকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পক্ষ থেকেও তাকে নিজেদের কর্মী হিসেবে মানতে নারাজ। স্থানীয়দের অভিযোগ, আজহার এর আগেও নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন এবং প্রভাব খাটিয়ে পার পেয়ে যেতেন। এছাড়া ঘটনার পর স্থানীয় এক চিকিৎসকের মাধ্যমে ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগও উঠেছে।

এ বিষয়ে বাঙ্গরা বাজার থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন জানান, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং তাকে গ্রেপ্তারে জোর তৎপরতা চলছে। অপরাধীর পরিচয় যাই হোক না কেন, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের ক্ষত: সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন ভিনিসিয়ুস

কুমিল্লার মুরাদনগরে ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, পলাতক অভিযুক্ত আজহার

আপডেট সময় : ১০:৪৬:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানা এলাকায় ১০ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত আজহার মিয়া উপজেলার আকুবপুর ইউনিয়নের মেটংঘর গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১ জুলাই বিকেলে আজহার মিয়া ওই শিশুকে কৌশলে নিজের পোলট্রি খামারের পাশে একটি টিনশেড ঘরে নিয়ে যান এবং সেখানে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। শিশুর চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে আজহার পালিয়ে যান। পরে শিশুটি পরিবারের কাছে ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দেয়। ঘটনার পর স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে ভুক্তভোগীর বাবা থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।

অভিযুক্ত আজহার মিয়ার রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের কেউ কেউ তাকে জামায়াত সংশ্লিষ্ট বললেও জেলা জামায়াত তা অস্বীকার করেছে। অন্যদিকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পক্ষ থেকেও তাকে নিজেদের কর্মী হিসেবে মানতে নারাজ। স্থানীয়দের অভিযোগ, আজহার এর আগেও নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন এবং প্রভাব খাটিয়ে পার পেয়ে যেতেন। এছাড়া ঘটনার পর স্থানীয় এক চিকিৎসকের মাধ্যমে ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগও উঠেছে।

এ বিষয়ে বাঙ্গরা বাজার থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন জানান, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং তাকে গ্রেপ্তারে জোর তৎপরতা চলছে। অপরাধীর পরিচয় যাই হোক না কেন, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে।