ঢাকা ১২:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

শিক্ষাব্যবস্থায় আমূল সংস্কার ও শিক্ষকদের লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি বন্ধের তাগিদ

জুলাই বিপ্লব পরবর্তী বাংলাদেশে রাষ্ট্র কাঠামোর আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্যে সবার আগে শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার প্রয়োজন বলে মনে করছেন দেশের বিশিষ্টজনেরা। তারা বলেছেন, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষাকে গুরুত্ব দিয়ে নতুন শিক্ষানীতি প্রণয়ন করতে হবে। শনিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন আয়োজিত ‘জুলাই বিপ্লবোত্তর শিক্ষা সংস্কার ও ভবিষ্যৎ রূপরেখা’ শীর্ষক এক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন।

সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, গত দেড় দশকে সুপরিকল্পিতভাবে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা থেকে আমাদের আত্মপরিচয় ও ধর্মীয় মূল্যবোধ সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। বিশেষ করে ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবি শিক্ষার মতো বিষয়গুলোকে কোণঠাসা করার একটি প্রক্রিয়া চলছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রাথমিক স্তরে বিতর্কিত কিছু পরিকল্পনা সংশ্লিষ্ট উপদেষ্টাদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে বন্ধ করা হয়েছে, যা পুনরায় চালু করার চেষ্টা চলছে।

বক্তারা জাপানের উদাহরণ টেনে বলেন, সেখানে শিক্ষার্থীরা নিজেরাই নিজেদের স্কুল পরিষ্কার করে এবং শিক্ষকদের সঙ্গে মিলেমিশে কাজ করে, যা তাদের মধ্যে কর্মস্পৃহা ও শৃঙ্খলা তৈরি করে। বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দলীয় রাজনীতির নেতিবাচক প্রভাব এবং উপাচার্য নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বিবেচনার সমালোচনা করে বক্তারা বলেন, মেধার সঠিক মূল্যায়ন এবং বৈষম্যমুক্ত শিক্ষাঙ্গন নিশ্চিত করতে হলে শিক্ষকদের লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি থেকে পুরোপুরি বেরিয়ে আসতে হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের ক্ষত: সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন ভিনিসিয়ুস

শিক্ষাব্যবস্থায় আমূল সংস্কার ও শিক্ষকদের লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি বন্ধের তাগিদ

আপডেট সময় : ১১:৫১:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

জুলাই বিপ্লব পরবর্তী বাংলাদেশে রাষ্ট্র কাঠামোর আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্যে সবার আগে শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার প্রয়োজন বলে মনে করছেন দেশের বিশিষ্টজনেরা। তারা বলেছেন, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষাকে গুরুত্ব দিয়ে নতুন শিক্ষানীতি প্রণয়ন করতে হবে। শনিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন আয়োজিত ‘জুলাই বিপ্লবোত্তর শিক্ষা সংস্কার ও ভবিষ্যৎ রূপরেখা’ শীর্ষক এক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন।

সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, গত দেড় দশকে সুপরিকল্পিতভাবে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা থেকে আমাদের আত্মপরিচয় ও ধর্মীয় মূল্যবোধ সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। বিশেষ করে ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবি শিক্ষার মতো বিষয়গুলোকে কোণঠাসা করার একটি প্রক্রিয়া চলছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রাথমিক স্তরে বিতর্কিত কিছু পরিকল্পনা সংশ্লিষ্ট উপদেষ্টাদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে বন্ধ করা হয়েছে, যা পুনরায় চালু করার চেষ্টা চলছে।

বক্তারা জাপানের উদাহরণ টেনে বলেন, সেখানে শিক্ষার্থীরা নিজেরাই নিজেদের স্কুল পরিষ্কার করে এবং শিক্ষকদের সঙ্গে মিলেমিশে কাজ করে, যা তাদের মধ্যে কর্মস্পৃহা ও শৃঙ্খলা তৈরি করে। বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দলীয় রাজনীতির নেতিবাচক প্রভাব এবং উপাচার্য নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বিবেচনার সমালোচনা করে বক্তারা বলেন, মেধার সঠিক মূল্যায়ন এবং বৈষম্যমুক্ত শিক্ষাঙ্গন নিশ্চিত করতে হলে শিক্ষকদের লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি থেকে পুরোপুরি বেরিয়ে আসতে হবে।