ইরানের সঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কূটনৈতিক ও সামরিক কৌশলে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি ফ্রান্সের ভার্সাই প্রাসাদে একটি প্রাথমিক সমঝোতার চেষ্টা করা হলেও শেষ পর্যন্ত তা আলোর মুখ দেখেনি। ট্রাম্পের ধারণা ছিল, অর্থনৈতিক সুবিধা এবং তেল বিক্রির সুযোগ দিলে ইরান হয়তো নমনীয় হবে, কিন্তু বাস্তবে তার বিপরীত চিত্রই ফুটে উঠেছে।
সমঝোতার রেশ কাটতে না কাটতেই হরমুজ প্রণালিতে পুনরায় জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটে। এর প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ইরানের শতাধিক সামরিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালায় এবং তেল বিক্রির অনুমতি বাতিল করে দেয়। বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে নতুন কোনো আলোচনার পথ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।
মার্কিন প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা কঠোর হুঁশিয়ারি দিলেও বিশ্লেষকরা বলছেন ভিন্ন কথা। সাবেক মার্কিন কূটনীতিক রিচার্ড হাসের মতে, ট্রাম্পের পূর্ববর্তী দুটি কৌশল—বোমা হামলা এবং অর্থনৈতিক চাপ—কোনোটিই ইরানকে নতি স্বীকার করাতে পারেনি। বরং পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে হামলার হুমকি বাড়িয়েছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে ওয়াশিংটনের কাছে তেহরানকে মোকাবিলার জন্য কার্যকর কোনো পরিকল্পনা নেই বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ট্রাম্প প্রশাসন একদিকে অর্থনৈতিক অবরোধ ও অন্যদিকে সামরিক শক্তির প্রদর্শন করলেও ইরান তার অবস্থানে অনড় রয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রকে এক কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 























