ঢাকা ০৬:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

বেনাপোল বন্দরে ভয়াবহ জলাবদ্ধতা: হাঁটু পানিতে ভাসছে কোটি কোটি টাকার পণ্য

টানা ভারী বর্ষণে দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোলে চরম জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে বন্দরের বিভিন্ন শেড ও ইয়ার্ডে রাখা শত শত কোটি টাকার আমদানিকৃত পণ্য পানিতে তলিয়ে গেছে। হঠাৎ এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে আমদানিকারকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টিতে বন্দরের ৩ নম্বর গেট সংলগ্ন অন্তত পাঁচটি শেডে পানি জমে যায়। অনেক স্থানে বৃষ্টির পানি হাঁটু সমান উচ্চতায় পৌঁছানোয় পণ্য খালাস ও পরিবহন কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বন্দর কর্তৃপক্ষ বিদ্যুৎচালিত পাম্প দিয়ে পানি সেচ দেওয়ার চেষ্টা করলেও তাতে খুব একটা সুফল মিলছে না।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বেনাপোল বন্দরে প্রতি বছর কোটি কোটি টাকার উন্নয়নমূলক কাজ হলেও কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়নি। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই বন্দরে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। বছরের পর বছর এই সমস্যা চললেও স্থায়ী কোনো সমাধান না আসায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বন্দর ব্যবহারকারীরা। আমদানিকৃত অধিকাংশ পণ্যের বীমা না থাকায় এই ক্ষতির পুরো দায়ভার এখন ব্যবসায়ীদের কাঁধে এসে পড়েছে।

বেনাপোল আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সরকার এই বন্দর থেকে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় করলেও অবকাঠামোগত দিক থেকে বন্দরটি এখনো অবহেলিত। সঠিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং অপরিকল্পিত স্থাপনা নির্মাণের কারণেই আজ এই ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশে হাম ও উপসর্গে প্রাণহানি বেড়ে ৭৫৩, ২৪ ঘণ্টায় নতুন আক্রান্ত ৭৮৪

বেনাপোল বন্দরে ভয়াবহ জলাবদ্ধতা: হাঁটু পানিতে ভাসছে কোটি কোটি টাকার পণ্য

আপডেট সময় : ০৪:৫৯:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

টানা ভারী বর্ষণে দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোলে চরম জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে বন্দরের বিভিন্ন শেড ও ইয়ার্ডে রাখা শত শত কোটি টাকার আমদানিকৃত পণ্য পানিতে তলিয়ে গেছে। হঠাৎ এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে আমদানিকারকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টিতে বন্দরের ৩ নম্বর গেট সংলগ্ন অন্তত পাঁচটি শেডে পানি জমে যায়। অনেক স্থানে বৃষ্টির পানি হাঁটু সমান উচ্চতায় পৌঁছানোয় পণ্য খালাস ও পরিবহন কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বন্দর কর্তৃপক্ষ বিদ্যুৎচালিত পাম্প দিয়ে পানি সেচ দেওয়ার চেষ্টা করলেও তাতে খুব একটা সুফল মিলছে না।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বেনাপোল বন্দরে প্রতি বছর কোটি কোটি টাকার উন্নয়নমূলক কাজ হলেও কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়নি। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই বন্দরে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। বছরের পর বছর এই সমস্যা চললেও স্থায়ী কোনো সমাধান না আসায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বন্দর ব্যবহারকারীরা। আমদানিকৃত অধিকাংশ পণ্যের বীমা না থাকায় এই ক্ষতির পুরো দায়ভার এখন ব্যবসায়ীদের কাঁধে এসে পড়েছে।

বেনাপোল আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সরকার এই বন্দর থেকে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় করলেও অবকাঠামোগত দিক থেকে বন্দরটি এখনো অবহেলিত। সঠিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং অপরিকল্পিত স্থাপনা নির্মাণের কারণেই আজ এই ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।