ঢাকা ০৫:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

মাদারীপুর থানা থেকে পালানো নারী আসামি কেরাণীগঞ্জ থেকে ফের গ্রেপ্তার

মাদারীপুর সদর মডেল থানা থেকে পালিয়ে যাওয়া এক নারী আসামিকে অবশেষে ঢাকার কেরাণীগঞ্জ থেকে ফের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ এই গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গ্রেপ্তারকৃত আসামি হাসিনা বেগম (৩৫) মাদারীপুর পৌরসভাধীন থানতলী এলাকার হবি হাওলাদারের মেয়ে এবং সদর উপজেলার ঝাউদি ইউনিয়নের কালাইমারা এলাকার আল-আমিনের স্ত্রী।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাতে অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে হাসিনা বেগমকে মাদারীপুর সদর মডেল থানাধীন ইটেরপুল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মোকসেদুর রহমান আটক করেন। পরবর্তীতে তাকে সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়। যেহেতু মূল থানা ভবন নির্মাণাধীন, তাই অস্থায়ীভাবে ওসির বাসভবনের নিচতলায় থানার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সেখানে আসামিদের জন্য কোনো হাজতখানা না থাকায় বারান্দার একটি কক্ষে পুলিশি হেফাজতে হাসিনাকে রাখা হয়। কিন্তু রাত দেড়টার দিকে সুযোগ বুঝে হাসিনা ওই কক্ষের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান।

পুলিশ হেফাজত থেকে আসামি পালানোর এই ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ডিউটি অফিসার) রমজান আলী সজল ও একজন কনস্টেবলকে পরদিন শুক্রবার প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়। সদর থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ জানান, আসামি হাসিনা বেগমের থানা থেকে পালানোর ঘটনায় পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমানের নির্দেশে শুক্রবার রাতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারিহা রফিক ভাবনাকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

এদিকে, মাদারীপুর সদর থানা পুলিশ পালিয়ে যাওয়া এই আসামিকে গ্রেপ্তারে জোর অভিযান শুরু করে। শুক্রবার রাতে ঢাকার কেরাণীগঞ্জ এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে ফের গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার বিকেলে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃষ্টি ও ভোগান্তি মাথায় নিয়ে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ভর্তি পরীক্ষা শুরু

মাদারীপুর থানা থেকে পালানো নারী আসামি কেরাণীগঞ্জ থেকে ফের গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৩:৫১:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

মাদারীপুর সদর মডেল থানা থেকে পালিয়ে যাওয়া এক নারী আসামিকে অবশেষে ঢাকার কেরাণীগঞ্জ থেকে ফের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ এই গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গ্রেপ্তারকৃত আসামি হাসিনা বেগম (৩৫) মাদারীপুর পৌরসভাধীন থানতলী এলাকার হবি হাওলাদারের মেয়ে এবং সদর উপজেলার ঝাউদি ইউনিয়নের কালাইমারা এলাকার আল-আমিনের স্ত্রী।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাতে অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে হাসিনা বেগমকে মাদারীপুর সদর মডেল থানাধীন ইটেরপুল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মোকসেদুর রহমান আটক করেন। পরবর্তীতে তাকে সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়। যেহেতু মূল থানা ভবন নির্মাণাধীন, তাই অস্থায়ীভাবে ওসির বাসভবনের নিচতলায় থানার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সেখানে আসামিদের জন্য কোনো হাজতখানা না থাকায় বারান্দার একটি কক্ষে পুলিশি হেফাজতে হাসিনাকে রাখা হয়। কিন্তু রাত দেড়টার দিকে সুযোগ বুঝে হাসিনা ওই কক্ষের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান।

পুলিশ হেফাজত থেকে আসামি পালানোর এই ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ডিউটি অফিসার) রমজান আলী সজল ও একজন কনস্টেবলকে পরদিন শুক্রবার প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়। সদর থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ জানান, আসামি হাসিনা বেগমের থানা থেকে পালানোর ঘটনায় পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমানের নির্দেশে শুক্রবার রাতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারিহা রফিক ভাবনাকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

এদিকে, মাদারীপুর সদর থানা পুলিশ পালিয়ে যাওয়া এই আসামিকে গ্রেপ্তারে জোর অভিযান শুরু করে। শুক্রবার রাতে ঢাকার কেরাণীগঞ্জ এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে ফের গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার বিকেলে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।