নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট বাজারে প্রায় চার বছর আগে কেনা সম্পত্তির দখল ফিরে পেয়েছেন বসুরহাট পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর হাজি আবুল খায়ের। শুক্রবার সকালে তিনি বসুরহাট বাজারের মেইন রোডে অবস্থিত ডা. ছেরাজ প্লাজার ১.৬০ শতাংশ এবং হাজি মার্কেটের ৩.২০ শতাংশসহ মোট ৪.৮০ শতাংশ সম্পত্তির উপর নির্মিত মার্কেটে তালা দিয়ে দখল গ্রহণ করেন।
পরে ঘটনাস্থলে এক সংবাদ সম্মেলনে হাজি আবুল খায়ের দাবি করেন, তিনি ডা. ছেরাজ প্লাজা ও হাজি মার্কেটের মালিক বেলাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরীসহ সাত ভাই-বোনের মধ্যে ছয় ভাই-বোনের কাছ থেকে প্রায় চার বছর আগে ৪.৮০ শতাংশ সম্পত্তি ক্রয় করেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে মালিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেও তিনি তার সম্পত্তির দখল বুঝে পাননি।
তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে সামাজিকভাবে একাধিক বৈঠক, বসুরহাট ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি এবং কোম্পানীগঞ্জ থানায় আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে জমির কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে সংশ্লিষ্টরা তার দাবির পক্ষে মত দেন। এর পরও বেলাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী সম্পত্তির দখল বুঝিয়ে না দেওয়ায় বাধ্য হয়ে তিনি নিজেই সম্পত্তির দখল গ্রহণ করেছেন।
হাজি আবুল খায়ের অভিযোগ করেন, এর আগে সম্পত্তির দখল চাইতে গেলে একজন মালিক ও কয়েকজন ভাড়াটিয়া তার ওপর হামলা চালায় এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এছাড়া ভাড়াটিয়া কাপড় ব্যবসায়ী খায়রুল বাশার, ভুট্টু ও অলি তার কাছে ৩০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনায় তিনি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ আমলি আদালতে ৩০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
তবে চাঁদা দাবির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কাপড় ব্যবসায়ী খায়রুল বাশার। তিনি বলেন, ‘হাজি আবুল খায়েরের সঙ্গে আমাদের কোনো ধরনের সম্পর্ক নেই। তার কাছে চাঁদা চাওয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।’ এ বিষয়ে ডা. ছেরাজ প্লাজা ও হাজি মার্কেটের মালিক বেলাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরীর বক্তব্য জানতে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
রিপোর্টারের নাম 

























