ঢাকা ১২:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

ভারতের ঢলে লালমনিরহাটের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, বিপৎসীমার কাছাকাছি তিস্তার পানি

ভারতের বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলের প্রভাবে লালমনিরহাটে তিস্তা নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে জেলার বিভিন্ন নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে এবং ফসলি জমি তলিয়ে যাচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় তিস্তার পানি প্রায় ৮০ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার কাছাকাছি ওঠানামা করছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শুক্রবার সকাল ৬টায় ডালিয়া ব্যারাজ পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ছয় সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও, বৃহস্পতিবার রাতভর এটি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে বয়ে গেছে। তিস্তার পানি বৃদ্ধির ফলে সদর উপজেলার কালমাটি, খুনিয়াগাছ; আদিতমারী উপজেলার মহিষখোঁচা, গোবর্ধন, সর্দারপাড়া; কালীগঞ্জ উপজেলার ভোটমারী, কাকিনা; এবং হাতীবান্ধা উপজেলার সানিয়াজান, গড্ডিমারী, পাটিকাপাড়া, সিংগীমারী ও সিন্দুর্না ইউনিয়ন এলাকার নদীর কোল ঘেঁষে বসবাসরত পরিবারগুলো পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাটই খোলা রাখা হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, উজানে এবং দেশের উত্তরাঞ্চলে ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টির কারণে তিস্তায় থেমে থেমে পানি বাড়ছে। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, উত্তরাঞ্চল ও তৎসংলগ্ন উজানে মাঝারি থেকে ভারি এবং কিছু স্থানে অতিভারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। এর ফলে তিস্তা, ধরলা, দুধকুমারসহ নদ-নদীর পানি দ্রুত বাড়তে পারে এবং তিস্তার কিছু পয়েন্টে স্বল্পমেয়াদে বিপৎসীমা অতিক্রম করার আশঙ্কা রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কুলিয়ারচরে দুর্বৃত্তের হামলায় এক যুবক নিহত, এলাকায় উত্তেজনা

ভারতের ঢলে লালমনিরহাটের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, বিপৎসীমার কাছাকাছি তিস্তার পানি

আপডেট সময় : ১১:০৮:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

ভারতের বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলের প্রভাবে লালমনিরহাটে তিস্তা নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে জেলার বিভিন্ন নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে এবং ফসলি জমি তলিয়ে যাচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় তিস্তার পানি প্রায় ৮০ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার কাছাকাছি ওঠানামা করছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শুক্রবার সকাল ৬টায় ডালিয়া ব্যারাজ পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ছয় সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও, বৃহস্পতিবার রাতভর এটি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে বয়ে গেছে। তিস্তার পানি বৃদ্ধির ফলে সদর উপজেলার কালমাটি, খুনিয়াগাছ; আদিতমারী উপজেলার মহিষখোঁচা, গোবর্ধন, সর্দারপাড়া; কালীগঞ্জ উপজেলার ভোটমারী, কাকিনা; এবং হাতীবান্ধা উপজেলার সানিয়াজান, গড্ডিমারী, পাটিকাপাড়া, সিংগীমারী ও সিন্দুর্না ইউনিয়ন এলাকার নদীর কোল ঘেঁষে বসবাসরত পরিবারগুলো পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাটই খোলা রাখা হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, উজানে এবং দেশের উত্তরাঞ্চলে ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টির কারণে তিস্তায় থেমে থেমে পানি বাড়ছে। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, উত্তরাঞ্চল ও তৎসংলগ্ন উজানে মাঝারি থেকে ভারি এবং কিছু স্থানে অতিভারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। এর ফলে তিস্তা, ধরলা, দুধকুমারসহ নদ-নদীর পানি দ্রুত বাড়তে পারে এবং তিস্তার কিছু পয়েন্টে স্বল্পমেয়াদে বিপৎসীমা অতিক্রম করার আশঙ্কা রয়েছে।