রংপুরের গংগাচড়া উপজেলার তিস্তা নদীবেষ্টিত চরাঞ্চলে চিকিৎসাসেবা যেন এক দুঃস্বপ্নের নাম। এখানে পাকা রাস্তা বা আধুনিক কোনো যানবাহন না থাকায় মুমূর্ষু রোগী কিংবা অন্তঃসত্ত্বা নারীদের হাসপাতালে নেওয়ার একমাত্র ভরসা মানুষের কাঁধ। বাঁশের তৈরি খাটিয়া বা কাঠের চেয়ারে বসিয়ে দীর্ঘ বালুপথ পাড়ি দিয়ে নদীর ঘাটে পৌঁছাতে হয় চরবাসীকে। অনেক সময় হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই পথিমধ্যে ঝরে যায় মূল্যবান প্রাণ।
উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলে বসবাসকারী হাজার হাজার মানুষের জন্য জরুরি স্বাস্থ্যসেবা আজও অধরা। বিশেষ করে নোহালী ইউনিয়নের বিভিন্ন চরে অসুস্থ রোগীদের নৌঘাট পর্যন্ত নিতেই কয়েক ঘণ্টা সময় লেগে যায়। এই চরম ভোগান্তি লাঘবে এবং দ্রুত যোগাযোগ নিশ্চিত করতে স্থানীয়রা সম্প্রতি উপজেলা প্রশাসনের কাছে দুটি সরকারি স্পিডবোট ও স্থায়ী চালক নিয়োগের দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ স্বীকার করেছে যে, ভৌগোলিক প্রতিকূলতার কারণে চরাঞ্চলে দ্রুত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছানো একটি বড় চ্যালেঞ্জ। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, শুধু আশ্বাস নয়, বরং স্থায়ী সমাধানের মাধ্যমে চরাঞ্চলের মানুষের বাঁচার অধিকার নিশ্চিত করা হোক।
রিপোর্টারের নাম 

























