ঢাকা ০২:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬

নাজাফে খামেনির শোক মিছিলে ২৩ লাখ মানুষের জনসমুদ্র

ইরাকের পবিত্র নগরী নাজাফে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির স্মরণে আয়োজিত শোক মিছিলে ২৩ লাখেরও বেশি মানুষ অংশগ্রহণ করেছেন। দেশটির আধাসামরিক বাহিনী পপুলার মবিলাইজেশন ফোর্সেস (পিএমএফ) বা হাশদ আল-শাবি এক বিবৃতিতে এই বিশাল জনসমাগমের তথ্য নিশ্চিত করেছে। বুধবার ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আইআরআইবি-তে প্রচারিত ওই বিবৃতিতে জানানো হয়, ইরাকের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মানুষের স্রোতে শোকাতুর জনতা ক্রমাগত বাড়ছে।

কয়েক দিনব্যাপী আয়োজিত শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে খামেনির মরদেহ নাজাফে নেওয়া হয়। এর আগে কোম, কারবালা এবং তার জন্মশহর মাশহাদেও শোক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। নাজাফে হযরত আলি (রা.)-এর পবিত্র মাজারে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর বুধবার স্থানীয় সময় সকাল ৬টায় আনুষ্ঠানিক শোক মিছিল শুরু হয়।

শোকাতুর মানুষের এই বিশাল মিছিলটি মাজার প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে কুফা সেতু এবং থাওরাত আল-আশরিন চৌরাস্তা হয়ে আল-সদরিন স্কয়ারের দিকে অগ্রসর হয়। নাজাফের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহটি পরবর্তীতে কারবালার উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ: প্রযুক্তির চেয়েও কি জরুরি শিক্ষকের সক্ষমতা বৃদ্ধি?

নাজাফে খামেনির শোক মিছিলে ২৩ লাখ মানুষের জনসমুদ্র

আপডেট সময় : ০১:২৪:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

ইরাকের পবিত্র নগরী নাজাফে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির স্মরণে আয়োজিত শোক মিছিলে ২৩ লাখেরও বেশি মানুষ অংশগ্রহণ করেছেন। দেশটির আধাসামরিক বাহিনী পপুলার মবিলাইজেশন ফোর্সেস (পিএমএফ) বা হাশদ আল-শাবি এক বিবৃতিতে এই বিশাল জনসমাগমের তথ্য নিশ্চিত করেছে। বুধবার ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আইআরআইবি-তে প্রচারিত ওই বিবৃতিতে জানানো হয়, ইরাকের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মানুষের স্রোতে শোকাতুর জনতা ক্রমাগত বাড়ছে।

কয়েক দিনব্যাপী আয়োজিত শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে খামেনির মরদেহ নাজাফে নেওয়া হয়। এর আগে কোম, কারবালা এবং তার জন্মশহর মাশহাদেও শোক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। নাজাফে হযরত আলি (রা.)-এর পবিত্র মাজারে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর বুধবার স্থানীয় সময় সকাল ৬টায় আনুষ্ঠানিক শোক মিছিল শুরু হয়।

শোকাতুর মানুষের এই বিশাল মিছিলটি মাজার প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে কুফা সেতু এবং থাওরাত আল-আশরিন চৌরাস্তা হয়ে আল-সদরিন স্কয়ারের দিকে অগ্রসর হয়। নাজাফের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহটি পরবর্তীতে কারবালার উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হয়।