ঢাকা ০৪:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬

‘লুক ইস্ট’ নীতি: আঞ্চলিক সংযোগ ও বাংলাদেশের ভূ-রাজনৈতিক সম্ভাবনা

বাণিজ্যের বহুমুখীকরণ এবং প্রতিবেশী দেশের ওপর নির্ভরতা কমাতে ২০০২ সালে ‘লুক ইস্ট’ বা ‘পুবে তাকাও’ নীতি গ্রহণ করেছিল বাংলাদেশ। এই নীতির মূল লক্ষ্য ছিল মিয়ানমারের মধ্য দিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে সরাসরি সড়ক ও রেল যোগাযোগ স্থাপন করা। এর মাধ্যমে আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর বিশাল বাজারে প্রবেশের পথ সুগম করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল।

তৎকালীন সময়ে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের শীর্ষ পর্যায়ের কূটনৈতিক সফরের মাধ্যমে এশিয়ান হাইওয়ে নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়ার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। তবে ভূ-রাজনৈতিক চাপ এবং নানা আঞ্চলিক সমীকরণের কারণে এই সম্ভাবনাময় প্রকল্পটি থমকে যায়। যদি এই করিডোরটি বাস্তবায়িত হতো, তবে বাংলাদেশ সরাসরি চীন ও থাইল্যান্ডের মতো দেশগুলোর সঙ্গে অর্থনৈতিকভাবে সংযুক্ত হতে পারত, যা দেশের অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করত।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের ঘোষণায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় লাফ

‘লুক ইস্ট’ নীতি: আঞ্চলিক সংযোগ ও বাংলাদেশের ভূ-রাজনৈতিক সম্ভাবনা

আপডেট সময় : ১১:০৯:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

বাণিজ্যের বহুমুখীকরণ এবং প্রতিবেশী দেশের ওপর নির্ভরতা কমাতে ২০০২ সালে ‘লুক ইস্ট’ বা ‘পুবে তাকাও’ নীতি গ্রহণ করেছিল বাংলাদেশ। এই নীতির মূল লক্ষ্য ছিল মিয়ানমারের মধ্য দিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে সরাসরি সড়ক ও রেল যোগাযোগ স্থাপন করা। এর মাধ্যমে আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর বিশাল বাজারে প্রবেশের পথ সুগম করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল।

তৎকালীন সময়ে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের শীর্ষ পর্যায়ের কূটনৈতিক সফরের মাধ্যমে এশিয়ান হাইওয়ে নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়ার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। তবে ভূ-রাজনৈতিক চাপ এবং নানা আঞ্চলিক সমীকরণের কারণে এই সম্ভাবনাময় প্রকল্পটি থমকে যায়। যদি এই করিডোরটি বাস্তবায়িত হতো, তবে বাংলাদেশ সরাসরি চীন ও থাইল্যান্ডের মতো দেশগুলোর সঙ্গে অর্থনৈতিকভাবে সংযুক্ত হতে পারত, যা দেশের অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করত।